1. fauzursabit135@gmail.com : Fauzur Rahman Sabit : Fauzur Rahman Sabit
  2. sizulislam7@gmail.com : sizul islam : sizul islam
  3. mridha841@gmail.com : Sohel Khan : Sohel Khan
  4. multicare.net@gmail.com : অদেখা বিশ্ব :
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বসন্ত বরণ ১৪৩২ উদযাপন করলো গণসাক্ষরতা অভিযান মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ঢাকায় বিবিসিএফের পরিবেশ, বন ও জীববৈচিত্র্য বিষয়ক ইশতেহার সংলাপ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে এসডিজি-৪ অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ: আগামী সরকারের কাছে প্রত্যাশা শীর্ষক মতবিনিময় সভা নাট্যজন মমতাজউদ্দীন আহমদের ৯২তম জন্মজয়ন্তী পালিত কর্মমুখী শিক্ষা ও গবেষণায় বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের গন্তব্য চীন নবীন প্রবীণের মিলনমেলায় ৪৮ জন গুণী রেডিও এ্যানাউন্সার পেলেন র‍্যাংক সম্মাননা সেলিম আল দীনের মহাপ্রয়াণ দিবসে বগুড়া থিয়েটার পরিবার ঢাকার মানবিক উদ্যোগ মঞ্চ থেকে এবার বেতারের মাইক্রোফোনে সোনাতলার সিজুল ইসলাম বোয়ালখালী থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাথে বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠীর সাক্ষাৎ 

তানজিনা সুলতানা সুমির জন্য ন্যায়বিচারের দাবী জানাই

শামসুন নাহার
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
কুতুবদিয়া চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্যাতনের স্বীকার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানজিনা সুলতানা সুমী। ছবি- শামসুন নাহার
চবির সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্রী তানজিনা সুলতানা সুমির উপর কেন এবর্বরতা? তার বাবা মারা যাবার পর এতিম বাচ্চাদের ভয় দেখিয়ে তাদের বাড়ী ছাড়া করে তাদের সম্পদ দখল করার লোভে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করার চেষ্টা করে তার এলাকার চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সিকদার।লোকটি আওয়ামী লীগ থেকে নমিনেশন পেয়ে নির্বাচন করে এবং স্হানীয় সাংসদের সাথে সুসম্পর্ক আছে বলে পুলিশ তার খয়ের খাঁ হয়ে কাজ করে।বর্তমানে সুমি ও তার পরিবার আতংকে দিনযাপন করছেন। সুমির সাথে ঘটে যাওয়া এ নৃশংস ঘটনার প্রতি তীব্র নিন্দা জানাই।সুমির ও তার পরিবারের প্রতি ন্যায়বিচারের আবেদন জানাই।
যা ঘটেছিল সুমির সাথেঃ

সুমীর গলার নিচে নির্যাতনের চিহ্ন। ছবি- লেখক

প্রথমে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একটা ওয়ারিশ সনদ জালিয়াতির মামলা করেছিল সুমি।তার আগে তারা বাড়িতে থাকবো কিনা নাকি শহরে স্হায়ী হবো এই ব্যপারে কয়েকবার কথা বলে চেয়ারম্যান।তাদের বাড়ি আর তার আশেপাশের জমিগুলো তার বাবার কেনা।তারপরও বাড়িতে কোন পুরুষ সদস্য না থাকায় ভাই তাদের দু বোনের ছোট হওয়ায় ওনি ভেবে নিছেন তাদের বিয়ের পর এই বাড়িতে থাকার আর কেউ থাকবে না।এটা নিয়ে হুমকির দেয়া নেয়া চলছে বহুদিন।চেয়ারম্যানের স্বভাব হচ্ছে উনি অন্য ব্যাক্তির আড়ালে জমি রেজিস্ট্রি করে নেন।সুমিদের পরিবারে লোকবল না থাকায় আমাদের ভিটা রেজিস্ট্রি না নিয়ে দখল করার চেষ্টা করছিলেন।ঘটনার দিন তার ওয়ারিশ সনদের মামলার সাক্ষীকে মারধর করেন বাজারে।তখন ওই ব্যাক্তির স্ত্রী তার খোজ না পেয়ে থানায় যান এবং তাকে সাথে যেত অনুরোধ করেন। সে যাবার পর পুলিশের ওসি বলেন,আপনি অভিযোগপত্র নিয়ে আসেন।সেটার জন্য তারা উপজেলায় যেখানে কম্পিউটারের দোকান আছে সেখানে যায় সেখানে একটি মার্কেটের দ্বিতীয়তলায় জাহাঙ্গীর লোকজন নিয়ে বসেছিলেন।তাকে দেখে ডাকেন। সে আরো একজন নারীকে সাথে নিয়ে ওখানে যায়, বারান্দায় যাবার সাথে সাথে উনি তাকে তার ওড়না নিয়ে গলায় পেঁচিয়ে ফেলেন। তাকে রুমের ভেতর নিয়ে যাওয়া হয়।নিঃশ্বাস না পেয়ে মেঝেতে পড়ে গেছি।চোখ বন্ধ হয়ে আসছিলো।তখন সবাই মারতে শুরু করেন।তখন তার চিৎকারে পুরো এলাকার মানুষ ঐ বিল্ডিং এর নিচে চলে আসে।কিন্তু কেউ উপরে ওঠার সাহস করেনি।অনেকেই থানায় গিয়েছিলো।পুলিশ এসেছিলো।এসে উল্টো চেয়ারম্যানের দাসের মতো আচরণ করেছিলো।তাকে হাসাপাতালে নিয়ে যায়নি।চেয়ারম্যানের সাথে হাসতে হাসতে সেখান থেকে বের হয়ে যায়,তাকে সেখানে রেখেই।তারপর সে হাসপাতালে যাবার চেষ্টা করছিল এবং হাসপাতালের আসেপাশে চেয়ারম্যানের লোকজন পাহারা বসিয়েছিলো।তাই যেতে পারিনি।আমি হাটতে পারছিলো না,যে লোক হাসপাতালে নিচ্ছিলেন ওনি নিজের বাসায় নিয়ে যান।কয়েকঘন্টা পর রাত সাড়ে বারোটার দিকে গাড়িতে কালো কাপড় পেঁচিয়ে কাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।পরদিন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন।কক্সবাজার থেকে ফিরে সে এজাহার জমা দেয় থানায়।পুলিশ মামলা নেয়নি।বরং তাকে ডেকে হুমকি দিয়েছে ‘দেখুন আপনি যদি মামলা করেন তাহলে চেয়ারম্যান আপনার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করবে তখন আপনি আসামি হয়ে যাবেন। আপনার চাকরি হবে না।তার চেয়ে আপনি আপোষ করে ফেলেন।’
এই পুরো ঘটনাটার দায় ছিলো পুলিশের। ওরা যদি চেয়ারম্যানকে এত প্রশ্রয় না দিতো তাহলে চেয়ারম্যান এই সাহস করতো না।মামলা চলমান থাকার পরও বাড়ির সামনে এসে বলছে এক সপ্তাহের মধ্যে মামলা তুলে না নিলে মেরে ফেলবে।এই লোক হসপিটালে টাকা দিয়ে আমার মেডিকেল সার্টিফিকেট বদলে ফেলছে।কক্সবাজার মেডিকেল সঠিক সার্টিফিকেট দিছে।।ওনার ক্ষমতা উনি আওয়ামী লীগের স্হানীয় প্রতিনিধি।তাদের সবচেয়ে বড় পরাজয় এখানে ই যে জাহাঙ্গীর রাজাকারের সন্তান হয়ে ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন পাইছে।বাংলাদেশ বিরোধী হয়েও,মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী হয়েও স্বাধীন দেশে যার এত ক্ষমতা সে কেনো প্রকাশ্যে একটা মেয়েকে হত্যার চেষ্টা করবেনা?
– এছিল সুমির থেকে শোনা ঘটনা। দেশবাসী কি দাঁড়াবে না অসহায় সুমির পাশে? সুমির পরিবার কি পাবে না নিরাপত্তা? একটি স্বাধীন দেশে একটু নিরাপদে সম্মান নিয়ে বাঁচার দাবী কি সাধারণ মানুষ করতে পারে না? জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন রেখে গেলাম।আর কত সুমির গলায় কোন ভূমিদস্যু ওড়না পেঁচিয়ে ধরলে আমরা ন্যায়ের জন্য সোচ্চার হবো?
বাংলাদেশের মাটিতে সুমির মত মেয়েদের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা চাই। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত সুমি কি বঙ্গবন্ধুর গড়া বাংলাদেশে ন্যায়বিচার পাবে না?

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

Theme Customized BY LatestNews