1. fauzursabit135@gmail.com : S Sabit : S Sabit
  2. sizulislam7@gmail.com : sizul islam : sizul islam
  3. mridha841@gmail.com : Sohel Khan : Sohel Khan
  4. multicare.net@gmail.com : অদেখা বিশ্ব :
বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দ্রুত খুলে দেওয়ার আহ্বান

পড়ালেখা ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
শিক্ষার্থীদের টিকাদানের ব্যবস্থা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবি। ছবি- অদেখা বিশ্ব

শিক্ষার্থীদের দ্রুত টিকাদান সম্পন্ন করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে  ‘নিরাপদ ইশকুলে ফিরি’ ক্যাম্পেইন। বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ক্যাম্পেইনের এক বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানানো হয়।

‘নিরাপদ ইশকুলে ফিরি’ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের ভয়াবহ সংক্রমণের শঙ্কায় গত ২১ জানুয়ারি থেকে দেশের সকল স্কুল-কলেজ আবারও সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। ২০২০ সালের মার্চে বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ শুরুর পর শিশুদের নিরাপদ রাখতে দীর্ঘ দেড় বছর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরাসরি পাঠদান বন্ধ রাখা হয়। সংক্রমণ কমে আসার পরিপ্রেক্ষিতে গত বছর ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তে শ্রেণিকক্ষে ফিরে এসেছিল শিক্ষার্থীরা। প্রাণ ফিরে পেয়েছিল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে তা স্থায়ী হয়নি। নতুন ভ্যারিয়েন্ট অমিক্রন ছড়িয়ে পড়ায় সরাসরি পাঠদান কার্যক্রম আবার থমকে যায় ।

দীর্ঘ ১৮ মাস শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ থাকায় ভিন্ন বাস্তবতার মুখোমুখি হয় শিশুরা। গৃহবন্দি জীবনে শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশের সুযোগ ব্যাহত হওয়ার প্রভাব পড়ে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যে। অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে সবার সমান সুযোগ না থাকায় অনেক শিশু শিক্ষা কার্যক্রমে অনিয়মিত হয়ে পড়ে। দরিদ্র ও সংকটে থাকা পরিবারের মেয়ে শিশুরা বাল্যবিবাহের শিকার হয়। মহামারির সংকটে পরিবারের আয় কমে যাওয়ায় শিক্ষা গ্রহণের পরিবর্তে শিশুদের অনেককে বাধ্য হতে হয় অর্থ উপার্জনে। বেড়ে যায় শিশুদের ওপর সহিংসতার মাত্রাও। আমাদের পর্যবেক্ষণে এমন চিত্রই উঠে এসেছে। তাই আবারও স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিশুরা একই সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিরাপদ ইশকুলে ফিরি’ ক্যাম্পেইন মনে করে, শিশুদের করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত রাখতে স্কুল বন্ধ না রেখে করোনার বাস্তবতা মেনে নিয়েই যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা উচিত। এছাড়া ১২ থেকে ১৭ বছরের শিশুদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে টিকা প্রদান করা অত্যন্ত জরুরি, যাতে শিশুরা আরও সুরক্ষিত হয়ে শ্রেণিকক্ষে ফিরতে পারে।

শিশুদের টিকা কার্যক্রম সম্পন্ন করা ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্কুল খুলে দিয়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠদান শুরু করতে সরকারকে যে কোনও সহযোগিতার জন্য ‘নিরাপদ ইশকুলে ফিরি’ ক্যাম্পেইন ও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত ২১টি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রস্তুত বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

প্রসঙ্গত,‘নিরাপদ ইশকুলে ফিরি’শিশুদের নিরাপদে শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনতে গত বছর ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ক্যাম্পেইন কাজ শুরু করে। ক্যাম্পেইনটি পরিচালনাকারী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলো হল –ব্র্যাক, ব্রিটিশ কাউন্সিল, গণস্বাক্ষরতা অভিযান, ঢাকা আহছানিয়া মিশন, এডুকো বাংলাদেশ, এফআইভিডিবি, ফ্রেন্ডশিপ, হ্যাবিট্যাট ফর হিউম্যানিটি বাংলাদেশ, হ্যান্ডিক্যাপ ইন্টারন্যাশনাল- হিউম্যানিটি অ্যান্ড ইনক্লুশন, জাগরনী চক্র ফাউন্ডেশন, লিওনার্ড চ্যাশায়ার, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ, রুম টু রিড বাংলাদেশ, সেভ দ্য চিলড্রেন ইন বাংলাদেশ, সাইটসেভারস, সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ, স্ট্রমী ফাউন্ডেশন, টিচ ফর বাংলাদেশ, ভিএসও, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং ইপসা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

Theme Customized BY LatestNews