1. fauzursabit135@gmail.com : S Sabit : S Sabit
  2. sizulislam7@gmail.com : sizul islam : sizul islam
  3. mridha841@gmail.com : Sohel Khan : Sohel Khan
  4. multicare.net@gmail.com : অদেখা বিশ্ব :
শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ১১:৫০ অপরাহ্ন

ডা. মোজাহিদুল হকের ধারাবাহিক গল্প ৩৪

সাহিত্য ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২২
ছবি- ডা. রিপন

জীবনের গল্প

ডা.মোজাহিদুল হক

পর্ব-৩৪

মন যে কখন কী চায়, মনই কি জানে?  প্রতিবার ঢাকা ছেড়ে বেড়িয়ে পড়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠি কিন্তু বাইরে এসে কদিন যেতে না যেতেই ঢাকার জন্য মন উথাল-পাথাল করে কিন্তু আবার ফিরে এলেই বুকের ভেতর আরেকটা অন্যরকম দানা দানা কষ্ট, এরকম কেন হয়?আজ দূ’দিন অহনার খুব মন খারাপ। বছরে একবারই ওর বাড়ী যাওয়া হয়, ঈদে। গত ঈদে  করোনা মহামারী, লক ডাউন, সব মিলিয়ে গৃহবন্দী হয়ে এক ঈদ কেটেছে। বাসা ছেড়ে কোত্থাও যাওয়া হয়নি। এবার যদি না যেতে পারে তাহলে আর এক বছর হয়তো যাওয়াই হবেনা। অসম্ভব অস্থিরতা কাজ করছে অহনার মধ্যে। টুক টাক প্রস্তুতি গত একমাস ধরেই চলছে ওর। আচমকা আজ দুদিন নিজে নিজে বিড় বিড় করছে।

ফ্রিজ খুলে ওয়াটার বটল খুলে দু ঢোঁক জল খেয়ে বারান্দায় এসে দাঁড়াই। অহনা অফিসে। বাইরে বিকেলের রোদ এখন ঝকমকে পিতল বরন। সেই রং মেখে দ্রুত পিছলে যাচ্ছে আশ পাশ। গত কালকের  দিন কেবল খারাপ খবরের জন্য বুঝি বরাদ্দ ছিল,  ছোট ভাই রবিউলের দাদু যিনি আমার চিকিৎসাধীন ছিলেন, সকালে প্রেসক্লাবের প্রোগ্রামের জন্য বের হয়ে কেবল বিজয় স্মরণী পার হচ্ছি  তখনই খারাপ সংবাদটা এলো । রবিউলের ছোট ভাই সোহাগ ফোন করলো দাদুর শ্বাস কষ্ট হচ্ছে । তখনই আমি সিওর হয়ে গেলাম আজকের দিনটা খুব খারাপ যাবে। দাদু ব্রিটিশ সোলজার ছিলেন। কি হাট্টাগাট্রা গলা। ক’দিন আগেও ফোনে প্রায়ই বাজখাই গলায় কথা বলতেন। অসুস্থ হয়ে ঢাকায় এলেন। চিকিৎসায় যথেষ্ট উন্নতি পরিলক্ষিত হচ্ছিল কিন্তু আচমকা এমন একটা মুহুর্তের জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। বাসায় গিয়ে দাদুর বুকের উঠানাম দেখছি। হার্টবিট, পালসবিট ড্রপ করছে ক্রমশ। আমার হাতে হাত রাখলেন, তারপর চলে গেলেন নিঃসীম আকাশের শূন্যতায়। খুব ভালোবাসার একজন মানুষের নিরব প্রস্থান। বুক ঠেলে কান্না আসছিল। অনেক কষ্টে গিলেছি সে কান্না। শেষকৃত্যের জন্য রবিউলের গ্রামের বাড়ী ঘোড়াঘাট নিয়ে যাওয়ার সম্পূর্ণ আয়োজন সম্পন্ন করে, ওদের বিদায় দিয়ে বাসায় ফিরে এলাম।  কেন এমন হয় আমার বেলায়?  সব কিছু গুছিয়ে উঠতে গেলেই আচানক সম্পর্ক গুলো কেন ছিঁড়ে যায়??  নাকি সব সম্পর্কের বেলাতেই নিয়ম এক। কোনও সম্পর্কই কি তাহলে দীর্ঘস্থায়ী নয়?   তা সে সম্পর্ক ভাইবোনের হোক, কি স্বামী-স্ত্রীর। কিংবা বাবা মা ছেলে মেয়ের। অথবা বন্ধুর সাথে বন্ধুর।

কিছু কিছু মানুষ এমন স্বার্থপর হয়। কোন কিছু চিন্তা ভাবনা কিংবা না ভেবে আচমকা এমন নির্বিকার একটা সিদ্ধান্ত দিয়ে বসে যে মানুষের উপকার হলো কি ক্ষতি হলো এক মুহুর্ত ও ভাবেনা আবার তার প্রয়োজনে হাতে পায়ে ধরতে ও দ্বিধা করবে না।

এসব মুহুর্তে তো আমি বেশ অসহায় হয়ে পড়ি। এই যে সবাইকে ঘুছিয়ে দেই, সফলতার সিঁড়ি ও চড়ে আমাকে দিয়ে কিন্তু পরক্ষণেই আমার অস্তিত্ব টাকেই ভুলে যায় তারা। আজ কয়েকদিন কিছুতেই স্থির হয়ে দাঁড়াতে পারছিনা। পায়ের তলার জমি কাঁপছে থর থর করে। রাতে ঘুম হচ্ছেনা। দৈন্য এ জীবনে অহনা জড়ানোর জন্য নিজেকে অপরাধী মনে হয়। নিজের জীবনে সুখটাতো অধরা ছিলো সেখানে অহনাকে কেন যে টেনে আনলাম?? ব্যলকনিতে পর্যুদস্ত বাতাস আছাড় খেয়ে পড়ছে বার বার। মাথা কুটে মরছে। আমার মতো। কী আজব এক জীবন ছিলো আমার সকাল থেকে সন্ধা, সন্ধা থেকে রাত কেবল খেটে যাওয়া। সব কিছুর পর কোন কোন রাতে এক প্রস্থ প্রেমের খেলা। সেই খেলায় আমার কোন আলাদা ভূমিকা থাকতো না। ইচ্ছে অনিচ্ছা থাকতো না। শুধু একপেশে নির্মম একটা বাসনা মিটিয়ে যেতে হতো আমাকে। আর কিছুদিন থাকলে হয়তো নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে মরেই যেতাম। আমার বন্ধু আত্মীয়রা প্রায়ই বলতো কি দেখে যে এমন সম্পর্কে জড়ালি?  তোর সঙ্গে কোনও কিছুতেই তো মিল নেই। না শিক্ষা, না রুচি….. কাউকে কখনো বুঝাতে পারিনি ঝোড়ো এক আবেগের চুম্বকে আমি আটকে পড়েছিলাম। পুরনো দৃশ্য গুলো চোখের সামনে ভেসে উঠলে এখনো কুঁকড়ে যাই বিতৃষ্ণায়। ওই জিন্দেগী ভাবতে গেলে বুকের ভিতর আচমকা একটা পিঁপড়ের কামড় অনুভব করি।  দু,বছর আগের ঠিক এই সময়টায় আমার চারপাশের পৃথিবীটা যেন দ্রুত গতিতে আবর্তিত হতে থাকল। জগতের সবকিছুর অর্থ বদলে গেল। মনে হলো আমি পৃথিবীর বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন। আমি সব কিছুকে এক অদ্ভুত, নতুন এবং পূর্বে কখনো বোধ হয়নি এমন আবেগের সাথে দেখতে শুরু করলাম। আমার নিজের ঘর, আমার প্রিয় বুকসেলফ, ব্যালকনি, আশে পাশে থাকা জিনিসপত্র, চেয়ার টেবিল, দেয়ালে ঝোলানো কয়েকটা পেইন্টিং, ঘরের মানুষ গুলো সব কেমন যেন বদলে যেতে লাগলো। সব কিছু মনে হলো সম্পর্কচ্ছেদের বিহ্বলতায় নির্বাক হয়ে গিয়েছে। আমার কাছে সবকিছু কেমন দূর্বোধ্য ঠেকছিল। দায়িত্ব, কর্তব্য, কিছু মানুষকে জীবনের সমস্ত সুখের নাগাল পাইয়ে দিয়ে এ প্রলম্বিত জীবনের মাঝপথে এসে আমি একটা মিথ্যা মামলার আসামিতে পরিণত হলাম। আমার ভেতর একটা যন্ত্রণা মোচড় দিয়ে উঠছিল। আমি অনুভব করছিলাম আমি প্রতারিত হয়েছি। এই যন্ত্রণা যেন উপহাস করছিল আমার দীর্ঘদিনের লালিত গরিমা আর অস্তিত্বের ইমারতকে ধ্বংস করে দিতে চাইছে। একটা বোধ কেবল জেগে উঠছে, এতো দিনের সম্পর্ক গুলো আসলে ছিল ক্ষনিকের আর আমি পরিণত হয়েছি কারো জীবনের সুখ শান্তি পূরণের এক দম দেয়া পুতুলে।

সে মানুষ গুলোই নিজেদের স্বার্থ ব্যাহত হওয়ায় আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দিল। বাসা থেকে পুলিশ তুলে নিয়ে গেল আমায়। সকাল হলেই যে পথে আমি হাসপাতাল যেতাম সে পথেই পুলিশের গাড়ীতে আমি যাচ্ছি। জেলখানার ভেতর আমার জীবন কেমন হবে তা নিয়ে ভাবতে শুরু করলাম। এতদিন ধরে আনন্দময় যেসব বস্তু আমার অস্তিত্বকে জিইয়ে রেখেছিল সেগুলোকে ছাড়া কীভাবে বেঁচে থাকতে হবে তার পরিকল্পনা করতে লাগলাম। কারাবন্দি হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে নিতে এবং কারারুদ্ধ হওয়ার পর জগৎ কে নতুন একটা দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার ব্যতিক্রমী সূযোগ আমার সামনে চলে এলো। অন্যায়ভাবে আমাকে কোনঠাসা করা হয়েছে ভেবে একটা নির্লিপ্ত ক্ষোভ জমা হলো মনে। আমার জন্য সময়টা বেশ কঠিন ছিল। আমার অতীতের বিভিন্ন ঘটনা তুলে এনে, তাতে রং চড়িয়ে আমাকে অপদস্থ করার, আমার মান সম্মান কে ধূলিসাৎ করার আয়োজন চলছে বাইরে। ভয়ানক মর্মবেদনা, অসুস্থতা আর বিষন্নতা নিয়ে সম্পূর্ণ একটা মিথ্যা সাজানো মামলায় আমি জেলে চলে গেলাম। আমার কষ্ট গুলো সাক্ষী হয়ে থাকবে একটা পক্ষপাত দুষ্ট সিস্টেমের, যেখানে আমার মতো বলির পাঁঠার আত্মপক্ষ সমর্থনের কোন অধিকার নেই, কোনও সূযোগ নেই। কোনও তদন্ত ছাড়াই  সুবিধার তারতম্য হলেই কেউ একটা মিথ্যা অভিযোগ করলো আর হাতকড়া পরিয়ে জেলে পাঠিয়ে দেয়া হলো। আমি সবসময়ই বিশ্বাস করতাম মানুষের কূটকচালির ওপর সত্যের জয় হবেই। এ বিশ্বাস আমি হারাইনি এক মূহুর্তের জন্যও।

ভয়ঙ্কর দুর্যোগের আঘাতে বোধহয় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় কেউ কেউ। আবার অনেকে দূর্যোগ থেকে শিক্ষা নিয়েই নতুন করে মাথা তুলে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। বালির ঝড়ের ভয়ে আতঙ্কিত মরুভূমির ইঁদুরের মত তারা গর্ত খুঁড়ে মাটির তলায় ঢুকে নিরাপত্তা খোঁজে না। উটের মতো  কষ্ট সহিষ্ণু হতে শেখে। পরিশ্রমী ও। আমি ও তেমন কিন্তু অহনাকে অনেক সুখ দেয়ার মতো পরিশ্রম হয়তো করতে পারছিনা। ইদানিং ঘুমন্ত কামরায় ঘুমন্ত অহনার মুখটাকে অলৌকিক মনে হয়। রহস্যময়। ওর ভালোবাসা ওর প্রেম এমনই চেয়েছি আমি এতো জীবন। সামনে শুয়ে থাকা অহনাকে দেখে আমার বিনিদ্র রাত কাটে। অহনা আমার নিদ্রাহীনতায় ব্যস্ত হয় রোজ। ওর ব্যস্ততা দেখলে আমার বুকের ভেতর ফাঁকা ফাঁকা লাগে। দুনিয়ার সমস্ত সুখ অহনার পায়ে ঢেলে দিতে মন চায় কিন্তু দুর্ভাগ্য যে আমার পিছুই ছাড়ছেনা। প্রতিটি মানুষই কোন এক নির্দিষ্ট বিন্দুতে এসে নিজের কাছেই অসহায়। একজীবন কে কত ভাবেই না ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখছে মানুষ। জীবনের মানে খুঁজছে। নিজেদের মতো করে। এই হিংস্র ক্রুর পৃথিবীতে কে কার খবর রাখে?  তবে কি মানুষ নিজেকে ছাড়া আর কাউকেই ভালোবাসেনা?  অন্যকে ভালোবাসা শুধুই ভ্রান্তি?

একটা ইচ্ছার সাথে আরেকটা ইচ্ছা কেন যে ঠিকঠাক মিলতে চায় না। দুটো চাওয়া যদি নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ শুরু করে তবে মাঝের মানুষটা শুধুই পুড়তে থাকে। এ এক অসহায় দহন।

বাইরে আকাশের আজ মুখ ভার। ঘন মেঘে ছাওয়া। শ্রাবণে ফের ফিরেছে বর্ষা। গত তিনদিন ধরে সমানে ঝরছে বারিধারা। ঢাকার রাস্তা রীতিমতো নদীর রুপ ধরেছে। সকালে অফিসগামী মানুষ গুলোকে রীতিমতো যুদ্ধ করতে হচ্ছে। বৃষ্টি পড়ছে ঝিরঝির। একটানা। আমি আজ হাসপাতালে যাব না। ছেঁড়া ছেঁড়া ভাবনা নিয়ে এঘর ওঘর করছি। এখন একা হলেই পিছন ফিরে তাকাতে ইচ্ছে করে। কেমন ছিল জীবনের পেছনের রাস্তাটা?  চলতে চলতে, পথে প্রান্তরে, কোথায় কী ফেলে এলাম?  কী ই বা কুড়িয়ে পেলাম?  অজস্র ভাঙাচোরা ছবি। অগুনতি ছেঁড়াখোঁড়া দৃশ্য। হঠাৎই একটা সুন্দর বাতাস ঢুকে পড়ছে ঘরে। হাত বোলাচ্ছে আমার গায়ে, মাথায়। আকাশ এখন খানিক শুধরেছে। তিনদিন ধরে তেড়েফুঁড়ে হানা দিচ্ছে বটে হঠাৎ হঠাৎ, আবার মেঘ হটিয়ে রোদ্দুর ও লাফাচ্ছে ঝিকঝিক। শহরের পথঘাট মাড়ি বের করে হাসছে। অহনার সাথে টুকরো টুকরো মুহূর্ত মনে সুখ জাগায়। টুকরো টাকরা এই মুহুর্তগুলোই কি সুখ?  এক অসহ্য জীবন কে সহনীয় মেনে হেঁটে চলার পাথেয়?

বিকেল হলেই অহনার ঘরে ফেরার প্রতীক্ষা শুরু হয় আমার। বিকাল হলেই আমার মন উন্মুখ হয়ে থাকে একটা শব্দের, উহু ঠিক শব্দ  নয় ধ্বনি। টুংটাং। ওই টুকু ধ্বনির কী যে জোর!  আমার বুকের ভেতরে, অনেক ভেতরে, কোন এক কুয়োতলায় পৌঁছে যায় শব্দ টুকু। প্রতিধ্বনিত হয়ে ঝঙ্কার তোলে বার বার । অহনার হাতের এক কাপ চা না খেয়ে বেরুলে মনে হয় কি যেন খাওয়া হয়নি আজ। একটা সিগারেট ধরিয়ে বাইরে এলাম। অনেক রকম এতাল বেতাল চিন্তা ঘুরছে মাথায়। কয়েকদিন পরেই বকরী ঈদ। বাড়ী গেলে খুব হল্লাগুল্লা হবে। দেয়ালে টানানো অহনার ছবি দেখছি। অহনার চোখ দুটো খুব বড় নয়, তবে ওই চোখে সব সময় একটা ভাষা ফুটে থাকে। ভাসানোর দিন দূর্গাপ্রতিমার চোখে যে ভাষা থাকে, ঠিক যেন তেমনটাই। আমার কেমন গা ছমছম করে। কী একটা হতে থাকে ভেতরে! কী যেন!  মাজা রং, ছোট্টখাট্রো চেহারা, পানপাতা মুখ, অহনার এক গোপন দ্যুতি একলক্ষ চুম্বকের মতো টানতে থাকে আমাকে। পৃথিবীর সব আনন্দ জড়ো করে যদি অহনার হাতে তুলে দিতে পারতাম?

সকাল থেকে জীবনের প্রথম পাউচের তামাক পাকিয়ে যে সিগারেট খেতাম, সেই তামাকের মতোই মিঠেকড়া গন্ধ পাচ্ছি। হঠাৎ বড্ড মন কেমন করছে। বৃষ্টির সাথে পাল্লা দিয়ে হাওয়া বইছে শনশন। ময়লা নিয়ে যাওয়া বুড়োটা ময়লা নিয়ে চলে যাচ্ছে। দরজা বন্ধ করার আগে চলন্ত ময়লা বুড়ো কে জরিপ করলাম একবার। পেশী যেন ফেটে বেরোচ্ছে পঞ্চাশ পার হওয়া শরীরটা থেকে। জীবন বড় সুন্দর। জীবন বড় কষ্টের। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হচ্ছে। একটুকু ধ্বনি শোনার জন্য কান পেতে বসে আছি। কখন যে আসবে ধ্বনি, শব্দ ও বড় অভিমানী এখন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

Theme Customized BY LatestNews