1. fauzursabit135@gmail.com : Fauzur Rahman Sabit : Fauzur Rahman Sabit
  2. sizulislam7@gmail.com : sizul islam : sizul islam
  3. mridha841@gmail.com : Sohel Khan : Sohel Khan
  4. multicare.net@gmail.com : অদেখা বিশ্ব :
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বসন্ত বরণ ১৪৩২ উদযাপন করলো গণসাক্ষরতা অভিযান মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ঢাকায় বিবিসিএফের পরিবেশ, বন ও জীববৈচিত্র্য বিষয়ক ইশতেহার সংলাপ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে এসডিজি-৪ অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ: আগামী সরকারের কাছে প্রত্যাশা শীর্ষক মতবিনিময় সভা নাট্যজন মমতাজউদ্দীন আহমদের ৯২তম জন্মজয়ন্তী পালিত কর্মমুখী শিক্ষা ও গবেষণায় বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের গন্তব্য চীন নবীন প্রবীণের মিলনমেলায় ৪৮ জন গুণী রেডিও এ্যানাউন্সার পেলেন র‍্যাংক সম্মাননা সেলিম আল দীনের মহাপ্রয়াণ দিবসে বগুড়া থিয়েটার পরিবার ঢাকার মানবিক উদ্যোগ মঞ্চ থেকে এবার বেতারের মাইক্রোফোনে সোনাতলার সিজুল ইসলাম বোয়ালখালী থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাথে বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠীর সাক্ষাৎ 

আসকার ইকবাল এর জেল জীবনের গল্প “অবরুদ্ধ কারাগার” ০৫

আসকার ইকবাল
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৩
পর্ব – ০৫
মহসিনের রেফারেন্সে মাইনুলকেও বাসা থেকে ধরে নিয়ে আসলো ডিবি পুলিশ। এখন আমরা মোট কেস পার্টনার হলাম ছয় জন।মজার ব্যাপার হলো এরা কেউই কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত না।তারপরও কেন এদের এরেস্ট করা হলো সেটা বারবার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। তবে আমার জন্য মোটামুটি ভালোই হয়েছে বলা যায়। জেলখানার অভিজ্ঞতা নেয়া আমার জন্য খুব প্রয়োজন। সেই অভিজ্ঞতাই এখন লিখছি। এই ছয় জনকে প্রথমে একটা লকাপে আটকে রাখা হলো।প্রথম দিন গিয়ে আমি টানা ঘুম দিলাম যাতে মাথা থেকে সমস্ত টেনশন দূর হয়।জেলে তিনবেলা খাবার দেয়া হয়।সকালে গমের রুটি আর সবজি।দুপুরে ডাল ভাত আর সবজি। আর রাতে ডাল ভাত সবজির সঙ্গে ছোট এক টুকরো মাছ। সপ্তাহে একদিন মাছের পরিবর্তে ছোট ছোট দুই পিস গরুর মাংস আর কোনদিন একদিন এক টুকরো মুরগীর মাংস। ঈদে মিলাদুন্নবী,বিজয় দিবস,২৬শে মার্চ,১লা বৈশাখ আর দুই ঈদে থাকে বিশেষ খাবার। মানে গরুর মাংস,পোলাও,মুরগীর রোস্ট,মিষ্টি,পান – সুপারী ও ছোট একটা কোল্ড ড্রিঙ্কস। এই হচ্ছে জেলের খাবার।যাদের কাছে টাকা আছে তাদের জন্য আছে কারা পিসি ক্যান্টিন থেকে বিভিন্ন খাবার ও তরকারি কিনে খাবার সুযোগ।কারাগারে প্রেরণের পর মিনিমাম দশ দিন বন্দীদের রাখা হয় কোয়ারেন্টাইনে মানে স্পেশাল লকাপে।দশ দিন পার হলে পাঠিয়ে দেয়া হয় জেলখানার ওয়ার্ডে। কোয়ারেন্টাইনে থাকা একটু কষ্টকর।তাই দশ দিন একটু কষ্টেই কেটে গেলো। কারাগারে দুই শ্রেণীর বন্দি দেখা যায়। এক শ্রেণী অপরাধী আর আরেক শ্রেণী নিরপরাধ।অপরাধীদের জন্য জেলখানা বেহেশত সমতুল্য। আর নিরপরাধ ব্যাক্তির জন্য জেলখানা চোখের পানি ফেলার স্থান।আমি অপরাধী না নিরপরাধ সেটা পরে আলোচনা করবো।কিন্তু আমার জন্য জেলখানায় থাকা অতি জরুরী ছিল। কারণ এই অভিজ্ঞতা লাখ টাকার অভিজ্ঞতা। যাই হোক দশ দিন পার হবার পর আমাকে সহ অন্যান্য বন্দীদেরকে পাঠিয়ে দেয়া হলো ওয়ার্ডে।আমার লকাপ হলো যমুনা ৬/১ (চলবে)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

Theme Customized BY LatestNews