1. fauzursabit135@gmail.com : S Sabit : S Sabit
  2. sizulislam7@gmail.com : sizul islam : sizul islam
  3. mridha841@gmail.com : Sohel Khan : Sohel Khan
  4. multicare.net@gmail.com : অদেখা বিশ্ব :
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ০৯:২৫ অপরাহ্ন

রামুর গর্জনীয়া ফাঁড়িতে পর্যাপ্ত জনবল বৃদ্ধির দাবি এলাকাবাসীর

কক্সবাজার প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ মে, ২০২৩

জেলার রামু থানাধীন গর্জনীয়া পুলিশ ফাঁড়িতে পর্যাপ্ত জনবল বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল। উপজেলার কচ্ছপিয়া ও গর্জনীয়া ইউনিয়ন সহ পাশ্ববর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি থানাধীন বিশাল অংশ জুড়ে এ ফাঁড়ির আয়তন। এমন কি নাইক্ষ্যংছড়িতে বসবাসরত অনেকের পুর্বপুরুষের জায়গা জমি সংক্রান্ত বিষয় সম্পৃক্ত থাকায় এই ফাঁড়ির গুরুত্ব অনেক। এছাড়া মাদক, ডাকাতি প্রতিরোধ সহ নিয়মিত আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ব্যাপক বেগ পেতে হয়।

এ বিষয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ (আইসি) মোঃ মাসুদ রানা জানান, পাহাড় জঙ্গল বেষ্টিত বৃহত্তর গর্জনীয়া পুলিশ ফাঁড়িতে জনবল সংকট ও যানবাহনের অতি প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবুও পেশাগত দায়িত্ব পালনে দুই জন উপ পুলিশ পরিদর্শক, দুই জন সহ উপ পুলিশ পরিদর্শকগণ সরকারি দায়িত্ব পালনে আমাকে সহযোগিতা করছেন ।

এলাকাবাসী জানান, এ অঞ্চলের মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় পুলিশ ফাঁড়ি সদা জাগ্রত। নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা ছাড়াও বর্তমানে মিয়ানমার হতে অবৈধ গরু অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিশেষ অভিযান অতীতের যে কোন তুলনায় পরিচালনায় জোর দিতে হচ্ছে। এর মধ্যেও নানা অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে গিয়ে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী হামলার শিকার হতে হচ্ছে। গত কয়েক দিন আগে কিছু সন্ত্রাসী হামলায় পুলিশের উপ পুলিশ পরিদর্শক সহ চারজন আহত হয়। সার্বিক পরিস্থিতিতে ফাঁড়িতে জনবল বৃদ্ধি করা অতীব জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ দিকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি কতোটা শান্ত রাখা যায় এ নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে একই এলাকার বাসিন্দা ও বাংলাদেশ সনাতনী কল্যাণ সংঘের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সুমন ভট্টাচার্য্য বলেন, এক দিকে জনবল, যানবাহন, সহ অবকাঠামো গত সংকট রয়েছে, যা ইতিমধ্যে সংবাদ মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ উর্ধ্বতনদের ও দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে।

সুমন ভট্টাচার্য্য আশাবাদ ব্যাক্ত করে বলেন, সার্বিক দিক বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন সদয় বিবেচনায় তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

উল্লেখ্য, রামু থানার গর্জনিয়ায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ১৯৩৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ি । দীর্ঘ ৮০ বছরের পুরাতন ফাঁড়িটিতে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জনবল নিয়োগসহ ফাঁড়ির উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও সময়ের প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় আরও জনবল প্রয়োজন হয়ে উঠেছে। জানা যায়, প্রতিষ্ঠার পর রামুর এক পুলিশ সদস্য ফাঁড়ির দায়িত্ব পালন করতেন। পরে কয়েকজন পুলিশ সদস্য নিয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ এর পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করতেন হাবিলদার। পরবর্তীতে জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় আসলে ফাঁড়িতে আইসি পদমর্যাদায় থাকতেন এ এস আই। তাঁর সাথে থাকতেন এক হাবিলদার।এর আগে ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর একটি টিনসেড ভবন নির্মাণসহ আইসি হিসাবে থাকত পুলিশের উপ-পরিদর্শক এস আই। ২০১৭ সালে এলাকার জনসংখ্যার কথা বিবেচনা করে বৃদ্ধি করা হয় জনবল। সৃষ্টি করা হয় একজন পুলিশ পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) এর পদ। এছাড়াও সাব-ইন্সপেক্টর (এস আই) এক জন, দুই জন এ এস আই ও এক জন এটিএস বা হাবিলদারের পদ। তবে সময়ের প্রয়োজনে আরও জনবল প্রয়োজন ফাঁড়িটিতে তা এলাকার সচেতন নাগরিকবৃন্দ জোড়ালো দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

Theme Customized BY LatestNews