1. fauzursabit135@gmail.com : Fauzur Rahman Sabit : Fauzur Rahman Sabit
  2. sizulislam7@gmail.com : sizul islam : sizul islam
  3. mridha841@gmail.com : Sohel Khan : Sohel Khan
  4. multicare.net@gmail.com : অদেখা বিশ্ব :
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
সোনাতলায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদ্যাপিত সোনাতলায় বিএনপির আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নিয়োগ বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী নির্বাচিত হলেন পূর্বছাতনাই তিস্তা প্রতিবন্ধী ফোরামের বাতাসী বেগম জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল জারি সংগ্রাম থেকে স্বাবলম্বী: পবিত্রা রানীর অনুপ্রেরণার গল্প সোনাতলায় পৃথক মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত দুই আসামী গ্রেফতার নওদাবগা-শিহিপুর-সুখান পুকুর কল্যাণ পরিষদের কমিটি গঠন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী–কে শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিএমডিএফ

আসকার ইকবাল এর জেল জীবনের গল্প “অবরুদ্ধ কারাগার” ০৬

আসকার ইকবাল
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ মে, ২০২৩
পর্ব – ০৬
আমার ওয়ার্ডে আমার সঙ্গে কেস পার্টনার শুধু মহসিনকে দেয়া হলো।আর বাকিদের দেয়া হলো অন্য ওয়ার্ডে।এই ওয়ার্ডে অধিকাংশই মাদক মামলার আসামী। শুধু আমার ওয়ার্ড নয়।পুরো জেলখানায় গিজ গিজ করছে মাদক মামলার আসামীরা। জেলে শতকরা ৯০ ভাগই মাদক মামলা আর বাকিরা অন্য মামলা। অধিকাংশই ইয়াবার কারবারি।ওয়ার্ডে এক ভদ্রলোক পেলাম যার মাথায় টুপি আর পরনে পাঞ্জাবী পায়জামা। ভাবলাম উনি হয়তো আমাদের একই মামলার। কিন্তু পরে জানতে পারলাম তিনিও মাদক মামলার আসামী।ভদ্রলোকের নাম জামাল ভূঁইয়া। তাবলীগের আমির সাহেব। যখন ওয়ার্ডে সকলে এক সঙ্গে নামাজের জন্য দাড়ালাম তখন ভদ্রলোক আমাকে সামনে দাড় করিয়ে দিয়ে বললেন নামাজ পড়াতে। যদিও আমি শৈশবে মাদ্রাসায় পড়েছি এবং প্রায় তিন বছর হাফেজী মাদ্রাসার ছাত্র ছিলাম সেহেতু নামাজ পড়াতে কোন ধরনের অসঙ্কোচ বোধ করিনি।এবং আমি যমুনা ৬/১ ওয়ার্ডের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করা শুরু করলাম। নামাজ পড়িয়ে মোটামুটি দিন চলে যাচ্ছিলো।ওয়ার্ডে যাওয়ার মিনিমাম ১৫ দিন পর আমার অকালতনামা আসলো।আমার ছোট ভাই পাঠিয়েছে। উকিলের নাম সৈকত হোসেন। বাড়ি থেকে অকালতনামা আসার পর মোটামুটি আশ্বস্ত হলাম যে আমার মামলা পরিবার থেকে পরিচালিত হচ্ছে।থানায় মোবাইল রেখে দেয়ার কারনে সব নাম্বার মোবাইলেই থেকে যায়।আমার সমস্যা হলো আমি কোন নাম্বার মনে রাখতে পারি না। শুধু শাহীন নামে আমার এক বন্ধুর নাম্বার মুখস্ত ছিল।সপ্তাহে একদিন বন্দীদের ফোন কল।ফোন কলের দিন আমি শাহীনের নাম্বারে যোগাযোগ করে জানলাম আমার বাড়িতে যোগাযোগ করতে।শাহীন আমার বাড়িতে যোগাযোগ করলে বাড়ি থেকে অকালনামা পাঠায়।আরো ১৫ দিন পর কারাগারের মাইকে আমার নাম এবং পিতার নাম ঘোষণা করে বলা হয় আমাকে জরুরী ভিত্তিতে বাহির মেডিকেলে পাঠানো হবে।বুঝতে পারলাম এক বছর আগে আমাকে মানসিক রোগের ডাক্তার দেখানো হয়। ডা:জাকারিয়া সিদ্দিকীর মেডিকেল সার্টিফিকেট অনুযায়ী আমি সিজোফ্রেনিয়া রোগে আক্রান্ত।এবং আমার বেশ কিছুদিন চিকিৎসাও চলেছে।উকিল সাহেব সেই কাগজপত্র কোর্ট এ উপস্থাপন করেছেন। কোর্টের আদেশে ডাক্তারের সার্টিফিকেট অনুযায়ী আমার আবার পুনরায় পরীক্ষা নিরীক্ষা হবে। এই জন্য বাহির মেডিকেলে পাঠানো হবে। (চলবে)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

Theme Customized BY LatestNews