1. fauzursabit135@gmail.com : Fauzur Rahman Sabit : Fauzur Rahman Sabit
  2. sizulislam7@gmail.com : sizul islam : sizul islam
  3. mridha841@gmail.com : Sohel Khan : Sohel Khan
  4. multicare.net@gmail.com : অদেখা বিশ্ব :
রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ঢাকায় বিবিসিএফের পরিবেশ, বন ও জীববৈচিত্র্য বিষয়ক ইশতেহার সংলাপ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে এসডিজি-৪ অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ: আগামী সরকারের কাছে প্রত্যাশা শীর্ষক মতবিনিময় সভা নাট্যজন মমতাজউদ্দীন আহমদের ৯২তম জন্মজয়ন্তী পালিত কর্মমুখী শিক্ষা ও গবেষণায় বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের গন্তব্য চীন নবীন প্রবীণের মিলনমেলায় ৪৮ জন গুণী রেডিও এ্যানাউন্সার পেলেন র‍্যাংক সম্মাননা সেলিম আল দীনের মহাপ্রয়াণ দিবসে বগুড়া থিয়েটার পরিবার ঢাকার মানবিক উদ্যোগ মঞ্চ থেকে এবার বেতারের মাইক্রোফোনে সোনাতলার সিজুল ইসলাম বোয়ালখালী থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাথে বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠীর সাক্ষাৎ  ত্রিশালে মসজিদ উন্নয়ন প্রকল্পে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: দুদকের অভিযান

আসকার ইকবাল এর জেল জীবনের গল্প “অবরুদ্ধ কারাগার” ০৬

আসকার ইকবাল
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ মে, ২০২৩
পর্ব – ০৬
আমার ওয়ার্ডে আমার সঙ্গে কেস পার্টনার শুধু মহসিনকে দেয়া হলো।আর বাকিদের দেয়া হলো অন্য ওয়ার্ডে।এই ওয়ার্ডে অধিকাংশই মাদক মামলার আসামী। শুধু আমার ওয়ার্ড নয়।পুরো জেলখানায় গিজ গিজ করছে মাদক মামলার আসামীরা। জেলে শতকরা ৯০ ভাগই মাদক মামলা আর বাকিরা অন্য মামলা। অধিকাংশই ইয়াবার কারবারি।ওয়ার্ডে এক ভদ্রলোক পেলাম যার মাথায় টুপি আর পরনে পাঞ্জাবী পায়জামা। ভাবলাম উনি হয়তো আমাদের একই মামলার। কিন্তু পরে জানতে পারলাম তিনিও মাদক মামলার আসামী।ভদ্রলোকের নাম জামাল ভূঁইয়া। তাবলীগের আমির সাহেব। যখন ওয়ার্ডে সকলে এক সঙ্গে নামাজের জন্য দাড়ালাম তখন ভদ্রলোক আমাকে সামনে দাড় করিয়ে দিয়ে বললেন নামাজ পড়াতে। যদিও আমি শৈশবে মাদ্রাসায় পড়েছি এবং প্রায় তিন বছর হাফেজী মাদ্রাসার ছাত্র ছিলাম সেহেতু নামাজ পড়াতে কোন ধরনের অসঙ্কোচ বোধ করিনি।এবং আমি যমুনা ৬/১ ওয়ার্ডের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করা শুরু করলাম। নামাজ পড়িয়ে মোটামুটি দিন চলে যাচ্ছিলো।ওয়ার্ডে যাওয়ার মিনিমাম ১৫ দিন পর আমার অকালতনামা আসলো।আমার ছোট ভাই পাঠিয়েছে। উকিলের নাম সৈকত হোসেন। বাড়ি থেকে অকালতনামা আসার পর মোটামুটি আশ্বস্ত হলাম যে আমার মামলা পরিবার থেকে পরিচালিত হচ্ছে।থানায় মোবাইল রেখে দেয়ার কারনে সব নাম্বার মোবাইলেই থেকে যায়।আমার সমস্যা হলো আমি কোন নাম্বার মনে রাখতে পারি না। শুধু শাহীন নামে আমার এক বন্ধুর নাম্বার মুখস্ত ছিল।সপ্তাহে একদিন বন্দীদের ফোন কল।ফোন কলের দিন আমি শাহীনের নাম্বারে যোগাযোগ করে জানলাম আমার বাড়িতে যোগাযোগ করতে।শাহীন আমার বাড়িতে যোগাযোগ করলে বাড়ি থেকে অকালনামা পাঠায়।আরো ১৫ দিন পর কারাগারের মাইকে আমার নাম এবং পিতার নাম ঘোষণা করে বলা হয় আমাকে জরুরী ভিত্তিতে বাহির মেডিকেলে পাঠানো হবে।বুঝতে পারলাম এক বছর আগে আমাকে মানসিক রোগের ডাক্তার দেখানো হয়। ডা:জাকারিয়া সিদ্দিকীর মেডিকেল সার্টিফিকেট অনুযায়ী আমি সিজোফ্রেনিয়া রোগে আক্রান্ত।এবং আমার বেশ কিছুদিন চিকিৎসাও চলেছে।উকিল সাহেব সেই কাগজপত্র কোর্ট এ উপস্থাপন করেছেন। কোর্টের আদেশে ডাক্তারের সার্টিফিকেট অনুযায়ী আমার আবার পুনরায় পরীক্ষা নিরীক্ষা হবে। এই জন্য বাহির মেডিকেলে পাঠানো হবে। (চলবে)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

Theme Customized BY LatestNews