1. fauzursabit135@gmail.com : S Sabit : S Sabit
  2. sizulislam7@gmail.com : sizul islam : sizul islam
  3. mridha841@gmail.com : Sohel Khan : Sohel Khan
  4. multicare.net@gmail.com : অদেখা বিশ্ব :
শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন

সাধুরপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাবুর পরিকল্পনায় নাদিমকে হত্যা : র‍্যাব

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ জুন, ২০২৩
সাংবাদিক নাদিম হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী সাধুরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবু
সংবাদ প্রকাশের পর শায়েস্তা করতে জামালপুরের সাধুরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবুর পরিকল্পনায় সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিমকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে র‍্যাব।শনিবার (১৭ জুন) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান র‍্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল মিডিয়া উইং পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। এর আগে সাংবাদিক নাদিমকে হত্যার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী স্থানীয় ইউপি বাবুসহ জড়িত চার আসামিকে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ও বগুড়ার দুপচাঁচিয়া থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। আজ শনিবার সকালে চেয়ারম্যান বাবুকে দেবীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ থেকে তাকে ঢাকায় আনা হয়। ঢাকায় আনার পরে তাকে জামালপুরে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখান থেকে তাকে বকশীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাবের মুখাপত্র খন্দকার আল মঈন বলেন, সাংবাদিক নাদিম সম্প্রতি বাবুর অপকর্ম নিয়ে অনলাইন পোর্টালে কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।

প্রতিবেদন প্রকাশের পর বাবু ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিক নাদিমকে বিভিন্নভাবে হুমকিসহ তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। পরে ময়মনসিংহের সাইবার ট্রাইব্যুনাল মামলাটি খারিজ করে দেন। মামলা খারিজের বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী নাদিম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেওয়ায় বাবু আরো ক্ষিপ্ত হন। এরপর সাংবাদিক নাদিমকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা করেন।তিনি বলেন, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৪ জুন (বুধবার) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ভুক্তভোগী সাংবাদিক নাদিম বাড়ি ফেরার পথে বকশীগঞ্জ বাজারের পাটহাটি এলাকায় বাবু তার সন্ত্রাসীদের নিয়ে নির্জন স্থানে ওঁৎ পেতে থাকেন। সাংবাদিক নাদিম তার সহকর্মীসহ মোটরসাইকেল যোগে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে বাবুর সন্ত্রাসীরা তাকে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। পরে পেছন থেকে দৌড় দিয়ে বাবুর আরো কয়েকজন লোক এসে তাকে মারতে মারতে পাশের একটি অন্ধকার গলিতে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যান এবং এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকেন।তিনি বলেন, ওই সময় প্রধান অভিযুক্ত চেয়ারম্যান বাবু ঘটনাস্থলের কাছে থেকে পুরো ঘটনার নেতৃত্ব দেন। এ সময় সাংবাদিক নাদিমের সহকর্মী তাকে বাঁচাতে গেলে বাবুর সন্ত্রাসীরা তাকেও মারধর করেন।

একপর্যায়ে নাদিমের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে বাবু ও তার সন্ত্রাসী গ্রুপ দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরের দিন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাংবাদিক নাদিম মৃত্যুবরণ করেন।

এদিকে শনিবার দুপুরে নাদিমকে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রী মনিরা বেগম বাদী হয়ে জামালপুরের বকশীগঞ্জ থানায় মামলা একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় মাহমুদুল আলম বাবুকে প্রধান আসামি ও তার ছেলে ফাহিম ফয়সাল রিফাতকে দ্বিতীয় আসামি করে ২২ জনের নামে এবং অজ্ঞাত আরো ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

Theme Customized BY LatestNews