1. fauzursabit135@gmail.com : Fauzur Rahman Sabit : Fauzur Rahman Sabit
  2. sizulislam7@gmail.com : sizul islam : sizul islam
  3. mridha841@gmail.com : Sohel Khan : Sohel Khan
  4. multicare.net@gmail.com : অদেখা বিশ্ব :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:১১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
মঞ্চ থেকে এবার বেতারের মাইক্রোফোনে সোনাতলার সিজুল ইসলাম বোয়ালখালী থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাথে বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠীর সাক্ষাৎ  ত্রিশালে মসজিদ উন্নয়ন প্রকল্পে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: দুদকের অভিযান সমাজকর্মী আব্দুল হান্নানের পিতার মৃত্যুতে সোনাতলা নাগরিক কমিটির শোক আগামী ৯০ দিন অবৈধ বা ক্লোন মোবাইল ফোন বন্ধ হবে না সোনাতলায় রাধাকান্তপুর গ্রামিণ সড়ক বেহালদশায় চলাচলে জনদুর্ভোগ ঢাকায় “প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিক্ষণপদ্ধতি” বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ন্যায়বিচারের আওতায় আনার আহ্বান অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন মহান মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এ কে খন্দকার বীর উত্তম আর নেই

নির্বাচন কমিশন ভোটের আগে নির্বাচন স্থগিতের ক্ষমতা হারাল

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৫ জুলাই, ২০২৩
বিরোধী দলের কঠোর সমালোচনা ও আপত্তি উপেক্ষা করে জাতীয় সংসদে বহুল আলোচিত ‘রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অ্যাক্ট-২০২৩  বা গণপ্রতিনিধিত্ব আইন (সংশোধনী) বিল-২০২৩’ পাস হয়েছে। এতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভোটের আগে নির্বাচন স্থগিত বা বন্ধের ক্ষমতা হারিয়েছে। এ ছাড়া এই সংশোধনীর ফলে রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্র কমিটিসহ সব পর্যায়ের কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য অন্তর্ভুক্তির সময় ২০৩০ সাল পর্যন্ত বেড়েছে।

বিলটি পাসের প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির মো. ফখরুল ইমাম বলেছেন, এটি পাসের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা খর্ব হয়েছে।

আগে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সাত দিন আগে ঋণ পরিশোধের বিধান ছিল। এখন সেটা এক দিন আগে করার মাধ্যমে ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, যা সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিপন্থী।

গণফোরামের সংসদ সদস্য মোকাব্বির খানও এ বিল পাসে আপত্তি জানিয়ে বলেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার জন্য আরপিও সংশোধনের প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন হলো নির্বাচনব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

এই কমিশনের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। জনগণ নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়।

গত ৫ জুন সংসদের বিবেচনার জন্য আরপিও সংশোধনে বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম বিলটি উত্থাপনে আপত্তি জানালেও তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

এরপর গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। বিলের ওপর জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠনোর প্রস্তাব দেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টি, গণফোরাম ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা। ওই প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তাঁরা নির্বাচন পরিচালনায় ইসির ক্ষমতা খর্ব, নির্বাচনে ঋণখেলাপিদের বিশেষ ছাড় প্রদানসহ নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে এই বিলটি পাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন। তাঁরা বিলটি পাসে আপত্তি জানালেও তাঁদের প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

Theme Customized BY LatestNews