1. fauzursabit135@gmail.com : Fauzur Rahman Sabit : Fauzur Rahman Sabit
  2. sizulislam7@gmail.com : sizul islam : sizul islam
  3. mridha841@gmail.com : Sohel Khan : Sohel Khan
  4. multicare.net@gmail.com : অদেখা বিশ্ব :
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বসন্ত বরণ ১৪৩২ উদযাপন করলো গণসাক্ষরতা অভিযান মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ঢাকায় বিবিসিএফের পরিবেশ, বন ও জীববৈচিত্র্য বিষয়ক ইশতেহার সংলাপ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে এসডিজি-৪ অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ: আগামী সরকারের কাছে প্রত্যাশা শীর্ষক মতবিনিময় সভা নাট্যজন মমতাজউদ্দীন আহমদের ৯২তম জন্মজয়ন্তী পালিত কর্মমুখী শিক্ষা ও গবেষণায় বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের গন্তব্য চীন নবীন প্রবীণের মিলনমেলায় ৪৮ জন গুণী রেডিও এ্যানাউন্সার পেলেন র‍্যাংক সম্মাননা সেলিম আল দীনের মহাপ্রয়াণ দিবসে বগুড়া থিয়েটার পরিবার ঢাকার মানবিক উদ্যোগ মঞ্চ থেকে এবার বেতারের মাইক্রোফোনে সোনাতলার সিজুল ইসলাম বোয়ালখালী থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাথে বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠীর সাক্ষাৎ 

সাত আসমানের খোঁজ!

মজিব রহমান
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ জুলাই, ২০২৩
১৩ বিলিয়ন আলোক বর্ষের মধ্যে কোন আসমানের দেখা পায়নি নাসা৷ তাহলে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত আসমান অর্থাৎ আকাশগুলো কোথায় গেল? ওরা কি নাসার কার্যক্রম দেখে ভয়ে পালাল? নাকি এসব আকাশের কথা কেবলই গালগল্প! খোঁজ— দ্য সার্চ করে কি পাওয়া যায়?
আমরা বলতেই পারি, প্রাচীন গ্রন্থগুলোতে পৃথিবী, মহাবিশ্ব, আকাশ নিয়ে যা লেখা হয়েছে সবই মিথ্যা, আজগুবি ও অনুমান নির্ভর। ওই সময়ের মানুষের জানার পরিধি ছিল খুবই কম। তার বেশি কোন প্রাচীন গ্রন্থেই ছিল না। অর্থাৎ পরবর্তী সময়ের কোন জ্ঞানই ওই গ্রন্থগুলোতে ছিল না। সেখান থেকে কোন দিকনির্দেশনাই মানুষ পায়নি মিথ্যা তথ্য ছাড়া। সেখানে পৃথিবী স্থির এবং ওপরের দিক বলতে আসমান/আকাশ আর নিচের দিক বলতে পাতালই বোঝাতো। সেই আকাশ কিভাবে দাঁড়িয়ে আছে পৃথিবীর ছাদ হিসেবে তা নিয়ে একেক গ্রন্থে একেক আজগুবি গালগল্প রয়েছে। কোথাও রয়েছে চারটি খুঁটি, কোথাও তিনটি খুঁটি আবার কোথাও অদৃশ্য খুঁটির কথা বলা হয়েছে। সূর্য-চন্দ্র কিভাবে পূর্বাকাশ থেকে পশ্চিম দিকে যায় তা নিয়েও বিস্তর আজগুবি কথা লিপিবদ্ধ রয়েছে। কোথাও বলা আছে সূর্য কর্দমাক্ত জলাশয়ে অস্ত যাচ্ছে! রাতে আরশের নিচে বসে আরাধনা করে ভোরে উদয়ের জন্য অনুমতি চাচ্ছে! চন্দ্র প্রথম আকাশে আর সূর্য দ্বিতীয় আকাশে৷ আকাশকে কল্পনা করা হতো বিশাল গম্বুজের মতো করে। এক আকাশের ওপরে আরেক আকাশের কথা বলা হতো। কোথাও বলা হয়েছে সাত আসমানের কথা— যা স্বর্ন, রৌপ্যসহ বিভিন্ন ধাতু দিয়ে তৈরি। কোথাও বলা হয়েছে সেখানে স্রষ্টা রয়েছেন, কোথাও বলা হয়েছে সেখানে দেবদেবীরা বাস করে। আর পাতালে মানে মাটির নিচে রয়েছে নরক বা দানবদের বাস। একেক প্রাচীন গ্রন্থে একেক রকম— আজ সবই হাস্যকর মনে হয়। তারাগুলোকে কোথাও লেখা আছে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে। কোথাও তাদের দেবদেবী বলা হয়েছে— বিয়ে সাদীও হয়েছে তাদের মধ্যে। কেউ কেউ সন্তানও জন্ম দিয়েছে। আকাশ গঙ্গাকে বলা হয়েছে কোন দেবতার বীর্যপাত বা কোন দেবীর স্তন থেকে বের হওয়া দুধের ফোয়ারা!
পৃথিবীতে অলৌকিক বহু রকমের প্রাণির কথাও বলা হয়েছে- ভুত, প্রেত, প্রেতাত্মা ছিল দক্ষিণ এশিয়াতে; জিন ছিল আরব অঞ্চলে; ইউরোপে ছিল ডাইনীর মতো অলৌকিক শক্তিধর কিছু যার জন্য বহু বৃদ্ধা নারীকে হত্যা করা হয়। সেখানে রক্তচোষা ভ্যাম্পায়ার ছিল। এমন কি সাম্প্রতিক কিছু মানুষ এলিয়েন নামক এক ভিনগ্রহের প্রাণির দাবিও করে। এটা কাল্পনিক সাইন্স ফিকশনে মানানসই হলেও এসবের কোন বাস্তব অস্তিত্ব কেউ প্রমাণ করতে পারেনি। গালগল্পেই সীমাবদ্ধ ছিল ও আছে। আকাশ আর পাতালের মাঝে মর্তে মানুষ ও দৃশ্যমান প্রাণি ছাড়া এসব অলৌকিক প্রাণির অস্তিত্বের দাবিও আজ হাস্যকর হয়ে উঠেছে।
আমরা এখন বুঝি, যে খুঁটি দিয়ে আকাশ ধরে রাখা সেই খুঁটিগুলোর বাস্তব কোন অস্তিত্ব নেই আর আকাশ বলেও কিছু নেই। মহাবিশ্বের তুলনায় পৃথিবী খুবই ক্ষুদে অস্তিত্ব৷ একেকটি মহাশূন্য একেকটা ফাঁকা জায়গা যেখানে খুবই অল্প স্থান জুড়ে রয়েছে গ্রহ, নক্ষত্র। আর বাংলাদেশের পাতাল মানে হল- আমেরিকা। বাংলাদেশ থেকে সুরঙ্গ করলে তার উল্টোদিকে আমেরিকা মহাদেশের কাছে কোথাও গিয়ে উঠতে হবে। এখন এটাকে কেউ পাতাল বলে মানবে না। কোন ধাতুর তৈরি আকাশও কেউ মানবে না। উপরের দিক বলতেও কিছু নেই। দিনে যেটা উপরের দিক রাতেই সেটা নিচের দিক। অর্থাৎ দুপুরে যেটা আকাশের দিক, মাঝরাতেই সেটা পাতালের দিক! সবচেয়ে বিস্ময়কর পৃথিবীটা যে গোলাকার এ সামান্য কথাটুকুও কোন প্রাচীন গ্রন্থেই লেখা নেই। অথচ সেই গ্রন্থগুলোকেই মানুষ মহাপবিত্র ও অলৌকিক দাবি করে আসছে। অবশ্য পৃথিবীটা গোলাকার এবং সূর্যের চারদিকে ঘুরছে, আর চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে এমন সহজ সত্য ওই সময়ে কেউই বুঝতে পারেনি বলেই কোন অলৌকিক গ্রন্থেও আসেনি।
বিজ্ঞান মানুষের জানার সীমানা বাড়িয়ে দিয়েছে৷ অন্ধকার ধারণাগুলোতে পড়ছে আলো৷ সেই আলোতেই আজ পাতাল নাই হয়ে গেছে৷ নাই কথিত সেই ধাতব আকাশও৷ বিজ্ঞান নিয়মিতই খুলে দিচ্ছে রহস্যের দুয়ার৷ শিঘ্রই খুলবে আরো অনেক অনেক রহস্যের বন্ধ তালা৷ আজ কথিত প্রথম আকাশ, দ্বিতীয় আকাশ ছাড়িয়ে বিজ্ঞান খুঁজে পেয়েছে ১৩ বিলিয়ন আলোক বর্ষ দূরের তারকার সন্ধান৷ এ পর্যন্ত কোন আকাশ নেই স্বর্ণের বা রৌপ্যের তৈরি৷ চন্দ্র বা সূর্য আলাদা কোন আকাশে নেই৷ ১৩ বিলিয়ন আলোক বর্ষের মধ্যেও কোন আকাশ নেই৷
১৩ বিলিয়ন আলোক বর্ষের দূরত্বই বা কত মাইল? আলো এক সেকেণ্ডে যায় ১,৮৬,০০০ মাইল! এক বছরে ১৫৭৬৮০০০ সেকেণ্ড! এ দুটি সংখ্যা দিয়ে গুণ করলে পেয়ে যাবো এক আলোক বর্ষের দূরত্ব৷ সাধারণ ক্যালকুলেটরে গুণটি করতেই পারবেন না৷ শুধু জানি এই দূরত্ব পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্বের ৩১৫০০ গুণ! তাহলে ১৩০০ কোটি আলোক বর্ষের দূরত্ব কত? চাঁদ যে আসমানে আছে তার সাথে তুলনা করাই যায় না৷ দ্বিতীয় আকাশে আছে সূর্য! কোথায় গেল ধর্মগ্রন্থের সেইসব আকাশ? সবই মিথ্যা ও প্রতারণা!

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

Theme Customized BY LatestNews