1. fauzursabit135@gmail.com : S Sabit : S Sabit
  2. sizulislam7@gmail.com : sizul islam : sizul islam
  3. mridha841@gmail.com : Sohel Khan : Sohel Khan
  4. multicare.net@gmail.com : অদেখা বিশ্ব :
বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নবাস্তবায়নে তরুণদের ভাবনা

জি.বি.এম রুবেল আহম্মেদ-
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৩
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

কালের পরিক্রমায় পৃথিবীতে বহু মহামানবের আবির্ভাব ঘটেছে। তাদেও মধ্যে কেউ হয়ে আছেন অবিস্মরণীয়। চিরকালমা-মাটি, দেশ ও জাতির হৃদয়ে নিরবে-নিভৃতে জায়গা দখল কওে আছেন। এমনই একজন মহামানবের এদেশে আগমন ঘটে ১৯২০ সালের ১৭মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। শেখ লুৎফর রহমান ও মোছা: সায়েরা খাতুনের ঘরে জন্ম নেন খোকা নামের একজন শিশু। সেই খোকা নামের শিশুটি হয়ে উঠেন একজন পরিপূর্ণ মহামানবে। আর তিনি’ই হলেন- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, বাংলা মায়ের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
হাজারও নিপীড়ন, নির্যাতন, জুলুম অত্যাচার পেরিয়ে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে স্বাধীনতার ডাক দেন। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে সাড়ে সাত কোটি বাঙালী স্বাধীনতার মহান মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রাণিত হয়। ৭১’র ১৬ ডিসেম্বর দীর্ঘ নয় মাস অক্লান্ত যুদ্ধে ৩০ লাখ তাজা প্রাণের বিনিময়ে আমরা একটি স্বাধীন, সার্বভৌম দেশ পাই। বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির মহানায়ক হয়ে উঠেন এবং বিশ্বের শোষিত ও নিপীড়িত মানুষের প্রাণ পুরুষ হিসেবে জায়গা দখল করেন।


কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো- বঙ্গবন্ধু দেশের দায়িত্বভার তুলে নেওয়ার প্রায় ৪ বছরের মাথায় বাঙালীর জন্য একটি কালো অধ্যায় নেমে আসে। ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট বিশ্বের ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় রচিত হয়। বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল সদস্যদেও নির্মমভাবে হত্যা করে সেই একাত্তরের পরাজিত শক্তি। যারা এদেশে জন্ম নিয়েও দেশের মঙ্গল চাইনি। তৎকালীন কিছু সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নীল নকশার শিকার হোন বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবার। যে সময় মোয়াজ্জিনের ফজরের আযান কানে প্রতিধ্বনিত্ব হচ্ছিলো, ঠিক তখনই কালো মুখোশধারী বিপৎগামী একদল ঘাতক বঙ্গবন্ধুর বুকে বৃষ্টির মতো অঝরে গুলিচালায়! এ যেন গুলি চালায়-বাংলাদেশের মানচিত্রে, গুলি চালায় সাড়ে সাত কোটি বাঙালীর বুকে!
আমরা হারাই আমাদেও অস্তিত্বকে, আমাদেও রাষ্ট্রনায়ককে। নেমে আসে কালোছায়া, কালো অধ্যায়, কলঙ্ক! সেই দিনতারা ছোট্ট শিশু শেখ রাসেলকেও রেহাই দেয়নি। শেখ রাসেল সেদিন তাদের বলেছিল, “তোমরা আমায় মেরোনা, আমি আর এদেশে থাকবোনা” সেদিন তাঁর এমন আর্তনাদে কেঁদে ছিল বৃক্ষ-লতা, পক্ষীকূল, আকাশ-বাতাস। তবুও বিন্দু পরিমাণ মায়া হয়নি সেই ঘাতকদের হৃদয়ে। সেসময় দেশের বাইরে থাকায় আল্লাহতা’লার অশেষ কৃপায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা। আগস্ট আমাদের কলঙ্ক, আমাদের ভীতি। এ মাস আসলেই যত ষড়যন্ত্র বেড়ে যায়। তাই আমার লেখা একটি কবিতা মনে পড়ে গেল-
“ আগষ্ট তুমি ভয়াবহ কলঙ্ক আর অপমান
তোমার মাঝেই হারিয়েছি মুজিব মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাণ।

ভোররাতে এক ঘাতক দল ঢুকে জনকের বাসায়
হত্যা কওে সপরিবার কাউকে দেয় নিতো রেহাই।

মুজিবকে যে হত্যা কওে নিস্তব্ধ করেছে দেশ
তাদেরও আজ রক্ষা হয়নি ফাঁসিতে ঝুলেছে বেশ।

মুজিব তুমি জাতির জনক তোমার নাই কোনো মরণ
বেঁচে আছো সবার মাঝে হয়ে চির অবিস্মরণ ”
শোক হোক শক্তি। এ শ্লোগানে বিশ্বাস করে নতুন প্রজন্ম এগিয়ে চলছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে তাঁর আদর্শকে হত্যার চেষ্টা করা হলেও বর্তমানে বাংলাদেশ জেগে উঠেছে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের হাত ধরে। জাতির জনকের আদর্শকে বুকে লালনের মাধ্যমে। তাঁর আদর্শ বেঁচে আছে কোটি মানুষের হৃদয়ে। আর তাই তাঁর প্রতি বিশ্বাস রেখে শোককে শক্তিতে রুপান্তর করে তাঁর অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন তাঁরই কন্যা মাদার অফ হিউম্যানিটি, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, ডিজিটাল বাংলাদেশের নির্মাতা, গণপ্রজাতন্ত্রীবাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা। তাঁরই পরশে এদেশ এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ তথা একটি উন্নয়নশীল ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত, অসা¤প্রদায়িক, শতভাগ শিক্ষিত ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।
আর একাজে মেধা,মনন ও শ্রম দিয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যার স্বপ্নের সারথি হিসেবে কাজ করছে এই তরুণ প্রজন্ম। তাদের স্বপ্ন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ প্রতিষ্ঠার। যে বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে অন্যায়, অবিচার, শোষণ, লাঞ্চনা-বঞ্চনা, সা¤প্রদায়িকতা ও স্বর্থপরতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে গেছেন, সেটিকে মনে প্রাণে ধারণ করা এই প্রজন্মেও প্রত্যেকের কর্তব্য। আর তরুণ হিসেবে আমাদের মতো জাতির কাছে সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল ঘটনা হলো আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধ আর বঙ্গবন্ধু’ই আমাদের একমাত্র সাহস ও অনুপ্রেরক। যতদিন পৃথিবীর বুকে এই বাংলাদেশ এবং বাঙালি থাকবে ততদিন থাকবে এই মুক্তিযুদ্ধের বীরত্ব ইতিহাস। আর তাই এ ইতিহাস বুকে লালন করে দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে গড়ে তুলতে হবে।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে তরুণ প্রজন্মকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। আমাদের দেশের তরুণ প্রজন্ম যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখে নাই, তারাই এখন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড নিজের চোখে দেখার সৌভাগ্য হচ্ছে। আজকের তরুণরা পাচ্ছে সত্যিকারের পরামর্শ। তাদের সামনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ। বঙ্গবন্ধুর আহŸান আজও কানে প্রতিধ্বনিত হয়। বঙ্গবন্ধু তরুণদের বলেছিলেন, “তোমরা সোনার মানুষ হয়ে ওঠো”। এই চেতনায় তরুণ প্রজন্মের সাথে বঙ্গবন্ধু মিশে আছেন। বঙ্গবন্ধুর যে সংগ্রামমুখর জীবন, অসীম সাহসিকতা, অসাধারণ নেতৃত্বের গুণাবলি, প্রজ্ঞাআর দূরদর্শিতা, মানুষকে ভালোবাসার ও প্রসারতা দেখিয়েছেন, তা থেকে দীক্ষা নিতে পাচ্ছে আজকের তরুণরা। তাদেও সামনে এত বড় উদাহরণ বিশ্বে বিরল। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের আদর্শে। এই এগিয়ে চলার একমাত্র পাথেয় বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস থেকে। সেখানে প্রজ্জ্বলিত হচ্ছে তাঁর আদর্শ, স্বপ্ন ও সোনার মানুষ হওয়ার আহŸান।
বৈশি^ক সূত্রমতে, পৃথিবীর জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ হচ্ছে তরুণ। আর বাংলাদেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৩৫ ভাগ হচ্ছে তরুণ। অর্থাৎ ৪ কোটি মানুষ এখন ১৫-২৯ বয়সের মধ্যে। এই বিশ্ব এখন তরুণদেরই হাতে। কোনো কিছু অর্জনে তরুণদের সম্পৃক্ততা যেমন অপরিহার্য তেমনি তরুণরাই হচ্ছে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এএসডিজি)-এর অংশীদার। তাদেও গড়ে তুলতে পারলেই আমাদের যে সকল রূপরেখা আছে আমরা অনায়াসেই ছুঁতে পারব।পরিসংখ্যান তথ্যমতে, বাংলাদেশের জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ হচ্ছে যুবক। আর ১৭টি এএসডিজির ১০টিই যুবকদের সঙ্গে সম্পৃক্ত। অপরদিকে সুনির্দিষ্টভাবে বলা হয়েছে, কর্মসংস্থান কর্মের সুযোগ। তাই এসডিজি অর্জনের কথা এলেই আমাদের বিবেচনায় প্রথম আসে তরুণরা। তরুণদের জ্ঞান, উদ্ভাবন ও উদ্দীপনার সঠিক ব্যবহার আমাদের পৌঁছে দিতে পাওে কাঙ্খিত লক্ষ্যে। আর তারাই হচ্ছে উন্নয়নের প্রধান চালিকা শক্তি। আবার তারাই এসডিজির প্রধান সুবিধাভোগী এবং এসডিজি লালনের প্রধান অংশীজন। শিক্ষা থেকে যে কোনো স্তওে ঝরে পড়া, শিক্ষিত, অল্প শিক্ষিত বা অর্ধশিক্ষিত এবং শিক্ষিত তাদের কর্ম উপযোগী করাই এখনমূল কাজ। তাই নেলসন ম্যান্ডেলা ইংরেজীতে একটি কথা বলেছেন,
“ Education is the most powerful weapon which you can use to change the world.” অর্থাৎ- “ শিক্ষা হলো সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র যা আপনি বিশ্বকে পরিবর্তন করতে ব্যবহার করতে পারেন”।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন দ্রæত উন্নয়নের পথ যাত্রায় লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের যে রূপকল্প, ২০২০-এ ডিজিটাল বাংলাদেশ, ২০২৪-এ টেকসই মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে উত্তরণ, ২০৩০ সালের মধ্যে এ এসডিজি অভীষ্ট অর্জন এবং ২০৪১-এর মধ্যে উন্নত দেশ হিসেব আবির্ভূত হচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে এসব রূপকল্পের হাল ধরতে হবে। তার উপায় একটাই-বিনিয়োগ, শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তার জন্য দক্ষ তরুণ সমাজ তৈরি করা। প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক উন্নয়নের যে সমন্বিত ও সুষম উদ্যোগ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেছেন, তার ফোকাস হচ্ছে বেসরকারি খাত। সরকারের ভূমিকা এখন সমৃদ্ধ। সুতরাং বেসরকারি খাতকেই এখন চালনা করতে হবে। সেজন্য চাই বিনিয়োগের পরিবেশ এবং প্রয়োজন সরকারি-বেসরকারি অংশ গ্রহণ। প্রয়োজন অধিক হারে শিল্পায়ন বাড়াতে হবে। সরকারের রাজনৈতিক ইশতেহাওে ২০২৩ সালের মধ্যে দেড় কোটি তরুণের কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব লক্ষ্য ব্যাহত হয়েছে কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে। বঙ্গবন্ধুর সোনার মানুষ এ কর্মমুখী মানুষ হওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে। বঙ্গবন্ধু যে অর্থনৈতিক মুক্তির কথা বারবার বলে গিয়েছেন আজ আমরা সেই মুক্তি অর্জনের পথে। বঙ্গবন্ধু প্রায় বক্তব্যে বলতেন, “দেশের ভাগ্য পরিবর্তন করতে হলে বেকার সমস্যা দূর করতে হবে। একটি দেশের সমস্যা ও সম্ভাবনা দুটোই তরুণ সমাজের ওপর নির্ভর করে। তরুণরা বেকার থাকলে তারা বিপদগ্রস্ত হয় এবং দেশের জন্য ক্ষতিকর বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। যার ফলে তারা হারাতে থাকে ক্রমশ তাদের নৈতিকতা,কর্মস্পৃহা,উদ্যম ও আগামির সম্ভাবনা। তাই ব্যাহত রাখতে হবে সোনার মানুষ গড়ার সুযোগ”।
বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদেও এগিয়ে আসতে হবে এবং কিছু পদক্ষেপ নিতেহবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও শেখ হাসিনার প্রতি অবিচল আস্থা রেখে মেধার সমন্বয়ে দেশের জন্য কাজ করতে হবে।উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে বেকার থাকার চেয়ে কারিগরি শিক্ষা অথবা দক্ষতা প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে নিজেকে তৈরি করে কর্মসংস্থানের জন্য উদ্যোক্তা হতে হবে। উচ্চ শিক্ষার প্রতি অন্ধ বিশ্বাস পরিহার করে সামাজিক বন্ধ্যত্ব ভেঙে কর্ম উপযোগী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ নিতে হবে।ডিজিটাল বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে ঘরে বসে দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক এই বিশ্বে টিকে থাকতে হলে তাল মিলিয়ে দক্ষ সৃষ্টিশীলও সৃজনশীলে দক্ষতা বাড়াতে হবে, সেসব বিষয়ে বৈশ্বিক চাহিদা তৈরি হয়েছে। যুবকদের চিন্তা করতে হবে- ব্যবসা বাণিজ্য, শিল্পায়ন, করপোরেট অফিসে এখন প্রতিনিয়ত পরিবর্তন ঘটছে। তাই চাকরিতে পরিবর্তন আনতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার কাজে নিজেকে অংশীদারি করতে হবে স্মার্ট পরিকল্পনায়। কৃষি উদ্যোগ বাড়িয়ে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। ব্যক্তির ও শিল্পের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে। সোনার মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
আর এসকল পদক্ষেপে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে তরুণদেরই কাজ করতে হবে সবার আগে। তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগালেই- এদেশ হবে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত, শতভাগ শিক্ষিত একটি উন্নয়নশীল দেশ। তরুণদের হাত ধরেই বাংলাদেশ হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ। তারুণ্যের অগ্রযাত্রায় দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে…
তাই আমাদের শ্লোগান দিতে হবে-
“দক্ষ তরুণ গড়ছে দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ”।
“তারুণ্যের শক্তি, বাংলাদেশের সমৃদ্ধি”!

জয়বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু।

(লেখক, সাংবাদিক, সংস্কৃতি ও সমাজকর্মী)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

Theme Customized BY LatestNews