1. fauzursabit135@gmail.com : S Sabit : S Sabit
  2. sizulislam7@gmail.com : sizul islam : sizul islam
  3. mridha841@gmail.com : Sohel Khan : Sohel Khan
  4. multicare.net@gmail.com : অদেখা বিশ্ব :
রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন

বগুড়ার সোনাতলায় অবৈধ শয়তান (চায়না দুয়ারী) জালের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি

নিজস্ব সংবাদদাতা
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুলাই, ২০২৪
সোনাতলায় অবৈধ শয়তান জাল দিয়ে অবাধে জলজ প্রাণী নিধন। ছবি- হিরু মন্ডল

বগুড়া জেলার সোনাতলায় অবৈধ শয়তান জাল (চায়না দুয়ারী) দিয়ে অবাধে জলজ প্রাণী নিধনের খবর পাওয়া গেছে।
জানাগেছে বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত যমুনা ও বাঙালী নদীসহ স্থানীয় ছোট বড় জলাশয়ে মৎস্য স্বীকারের নামে অবাধে জলজ প্রাণী নিধন করা হচ্ছে। ফলে জীব বৈচিত্র হুমকির মুখে পড়েতে যাচ্ছে।
কারেন্ট জালের নতুন ভার্সন এই শয়তান জাল বা চায়না দুয়ারী জালের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। এই জালে পানীর তলদেশে বিশেষ কায়দায় স্থাপন করে রাখা হয়। যে কোন পরিমাপের পানিতে এই জাল স্থাপন করা যায়। জালের মুখ বিশেষ ব্যবস্থায় আটকানো থাকে ফলে এই জালের ভেতর ছোট বড় মাছসহ যে কোন জলজপ্রাণী প্রবেশ করে আর বের হওয়ার সুযোগ পায়না। এমনকি অনেক ছোট পোনা মাছও এই জালে আটকা পরে যায়। ফলে মাছের বংশ বিস্তার বাধাগ্রস্থ হয়।
এ বিষয়ে সোনাতলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বাবু অরূপ কুমার গোস্বামী বলেন, আমি দীর্ঘদিন থেকে সোনাতলায় এই জালের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করছি। বাঙালী নদীর তীরে আমার বাড়ি হওয়ায় প্রায়শই আমার চোখে পড়ে এই জালের ব্যবহার। শয়তান জাল বন্ধে কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণে আমরা ইতিপূর্বে সোনাতলা মৎস্য কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছিলাম। তখন কিছুদিন এই জালের ব্যবহার বন্ধ থাকলেও বর্তমানে আশাঙ্কাজনকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি বলেন, শয়তান জালের অবাধ ব্যবহারে জলজ প্রাণীর বংশ বৃদ্ধি বাধাগ্রস্থ হচ্ছে, যা জীব বৈচিত্রের উপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উদ্যোগে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান পরিচালনা করা জরুরী বলে আমি মনে করি।


এ বিষয়ে সোনাতলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরিফুর রহমান সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমরা জেনেছি যে শয়তান জাল ব্যবহার বেড়েছে। সে কারণে আমরা অভিযান পরিচালনা করছি কিন্তু আমাদের লোকবল খুবই কম হওয়ায় ইচ্ছা থাকলেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট আমি সহযোগিতা চেয়েছি উনি সহযোগিতা করতে চেয়েছেন।
জানাতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা শারমিন বলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইতিমধ্যেই অভিযান পরিচালনা করা শুরু করেছেন। অভিযান জোড়ালো করতে অচীরেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

Theme Customized BY LatestNews