1. fauzursabit135@gmail.com : Fauzur Rahman Sabit : Fauzur Rahman Sabit
  2. sizulislam7@gmail.com : sizul islam : sizul islam
  3. mridha841@gmail.com : Sohel Khan : Sohel Khan
  4. multicare.net@gmail.com : অদেখা বিশ্ব :
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
সোনাতলার মাস্টারপাড়া-স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সড়ক নির্মাণ কাজ চাঁদাবাজির কারনে বন্ধ হয়ে গেছে সোনাতলায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদ্যাপিত সোনাতলায় বিএনপির আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নিয়োগ বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী নির্বাচিত হলেন পূর্বছাতনাই তিস্তা প্রতিবন্ধী ফোরামের বাতাসী বেগম জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল জারি সংগ্রাম থেকে স্বাবলম্বী: পবিত্রা রানীর অনুপ্রেরণার গল্প সোনাতলায় পৃথক মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত দুই আসামী গ্রেফতার নওদাবগা-শিহিপুর-সুখান পুকুর কল্যাণ পরিষদের কমিটি গঠন

সোনাতলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৫

লাঠিখেলা গ্রামবাংলার একটি ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন খেলা। কালের বিবর্তনে খেলাটি দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে বগুড়ার সোনাতলা থেকে। এ খেলার পাশাপাশি ঘোড়দৌড় খেলা, পাতা খেলা ও হা-ডু-ডু ইত্যাদি ঐতিহ্যবাহী খেলা আগের মতো এখন আর তেমন দেখা যায় না। এর স্থলে দখল করে নিয়েছে ক্রিকেট,ব্যাডমিন্টন ও ফুটবল খেলা। বর্তমান খেলাগুলোর প্রতি মানুষদের আগ্রহ বেশি। তারপরও বিভিন্ন এলাকার উৎসুক যুবকরা হারিয়ে যাওয়া খেলাগুলো ধরে রাখার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে লাঠিখেলা। এ খেলায় ঢাক-ঢোল ও বাঁশির প্রয়োজন হয়। এ খেলার শুরুতেই যখন ঢাক-ঢোল আর বাঁশির বাজনা বেজে ওঠে তখন খেলা দেথার জন্য চারদিক থেকে নানা বয়সীর নারী-পুরুষরা ছুটে আসে। এ খেলায় অংশ নেয় ছেলে ও বুড়ো বয়সের লোকেরা। একজোড়া,দুইজোড়া কিংবা তিনজোড়া মানুষ লাঠি নিয়ে বাজনার তালে-তালে খেলতে থাকে। দেখতে খুব মজা পায় দর্শকরা। তা দেখে ছোট ছেলেদের অনেকে বাড়িতে লাঠিখেলা শেখার চর্চা করতো। তারাই পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক লাঠি খেলায় অংশ নিতো। লাঠিখেলা কেমন, এখনো অনেক ছেলে-মেয়েরা জানে না। গত কয়েক বছর ধরে সোনাতলা উপজেলার কলসদহ গ্রামে স্থানীয় যুব সমাজের উদ্যোগে ঘোড়দৌড় খেলার পাশাপাশি লাঠিখেলা হয়ে থাকে।
আয়োজকদের মধ্যে হাজী হান্নান জানান, বর্তমান যুগের ছেলে-মেয়েদেরকে আনন্দ দেয়ার জন্য গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা,পাতাখেলা ও ঘোড়দৌড় খেলার আয়োজন করি। এসব খেলা সব বয়সের লোকদের কাছে প্রিয়। এ সব খেলা আনন্দদায়ক। শান্তি-শৃঙ্খলা পরিবেশে মেলা ও খেলা সম্পন্ন করতে প্রশাসন সহযোগিতা করে থাকে।
সোনাতলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক, সহকারী অধ্যাপক জিয়াউল ইসলাম শান্তু বলেন, বাঙালী সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ এই লাঠিখেলা। নব্বয়ের দশক পর্যন্ত সোনাতলায় সকল জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে লাঠি খেলা, পাতা খেলা, হা ডু ডু খেলার আয়োজন করা হতো। কিন্তু এখন জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে এসব খেলা হয় না। খেলার আয়োজন না থাকায় খেলোয়ারও তৈরি হচ্ছে না। এর ফলে হারিয়ে যেতে বসে আমাদের এলাকার ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলো। তিনি জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে এসব খেলা আয়োজনের জন্য উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

Theme Customized BY LatestNews