1. fauzursabit135@gmail.com : Fauzur Rahman Sabit : Fauzur Rahman Sabit
  2. sizulislam7@gmail.com : sizul islam : sizul islam
  3. mridha841@gmail.com : Sohel Khan : Sohel Khan
  4. multicare.net@gmail.com : অদেখা বিশ্ব :
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
সোনাতলা নাগরিক কমিটির তেকানী চুকাইনগর ইউনিয়ন শাখা গঠন সোনাতলা নাগরিক কমিটির ইউনিয়ন শাখা গঠন সোনাতলায় মাদক বিরোধী যুব সমাবেশ সোনাতলায় দরিদ্র মানুষের জন্য আলোর প্রদীপ যুব সংগঠনের ৫ টাকার ঈদ সামগ্রী সোনাতলা নাগরিক কমিটির ইফতার ও আলোচনা সভায় চাঁদাবাজির কারণে রাস্তা নির্মান বন্ধ হওয়ার প্রতিবাদ সোনাতলার মাস্টারপাড়া-স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সড়ক নির্মাণ কাজ চাঁদাবাজির কারনে বন্ধ হয়ে গেছে সোনাতলায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদ্যাপিত সোনাতলায় বিএনপির আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নিয়োগ বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট

আজ ১৮ আগস্ট ঐতিহাসিক নানকার বিদ্রোহ দিবস

সামিহা আফরোজ খান
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫
আজ ১৮ আগস্ট ঐতিহাসিক নানকার বিদ্রোহ দিবস। ১৯৪৯ সালে যে আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে বিলুপ্ত হয়েছিল এক বর্বর প্রথার এবং একই সঙ্গে বিলুপ্ত হয়েছিল জমিদারী প্রথাও।
১৮ আগস্ট ছিল পহেলা ভাদ্র। এদিন ভোরের সূর্য ওঠার সাথে সাথে পেটোয়া বাহিনী আক্রমণ করে সানেশ্বরে ঘুমন্ত মানুষ ভীতসন্তস্ত্র হয়ে ঘুম ভেঙ্গে দিকবিদিক পালাতে থাকেন। সানেশ্বর গ্রামের লোকজন পালিয়ে পার্শ্ববর্তী উলুউরিতে আশ্রয় নেয়। উলুউরি গ্রামে পূর্ব থেকেই অবস্থান করছিলেন নানকার আন্দোলনের নেত্রী অপর্ণা পাল, সুষমা দে, অসিতা পাল ও সুরথ পাল।
তাদের নেতৃত্বেই উলুউরিও সানেশ্বর গ্রামের কৃষক, নারী-পুরুষ সরকারী বাহিনীর মুখোমুখি দাঁড়াবার প্রস্তুতি নেয় এবং লাটিসোটা, ঝাটা এসব নিয়ে সানেশ্বর ও উলুউরি গ্রামের মধ্যবর্ত্তী সুনাই নদীর তীরে সম্মুখ যুদ্ধে লিপ্ত হয় সরকারি ও জমিদার বাহিনীর সাথে। কিন্তু ইপিআরের অস্ত্রের সামনে লাটিসোটা নিয়ে বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি কৃষকরা। ঘটনাস্থলেই শহীদ হয়েছিলেন ব্রজনাথ দাস, কুটুমনি দাস, প্রসন্ন কুমার দাস, পবিত্র কুমার দাস ও অমূল্য কুমার দাস। এই আন্দোলনের শহীদ হয়েছিলেন ৬ জন। রজনী দাস ১৫ দিন আগে নদীর তীরে জমিদারের লাঠিয়াল বাহিনীর হাতে শহীদ হয়েছিলেন।
অন্যদিকে অমূল্য কুমার দাস পরবর্তী সময়ে বন্দী অবস্থায় শহীদ হয়েছিলেন। পুলিশের অত্যাচারে নানকার বিদ্রোহে সেদিন আহত হয়েছিলেন হৃদয় রঞ্জন দাস, দীননাথ দাস, অদ্বৈত চরণ দাসসহ বহু বিপ্লবী কমিউনিস্ট নেতাকর্মী। বন্দি হন এই আন্দোলনের নেত্রী অপর্ণা পাল, সুষমা দে, অসিতা পাল ও উলুউরি গ্রামের প্রকাশ চন্দ্র দাস, হিরণ বালা দাস, প্রিয়মণি দাস, প্রমোদ চন্দ্র দাস ও মনা চন্দ্র দাসসহ অনেকে। বিদ্রোহের নেত্রী অন্তঃসত্ত্বা অপর্না পালচৌধুরীর গর্ভপাত ঘটে ঘটনাস্থলেই। অত্যাচারে তিনি পঙ্গু হয়ে যান। শ্রীহট্ট, রাজশাহী ও ঢাকা জেলে তিনি ৫ বছর বন্দি ছিলেন তিনি।
এ ঘটনার পরেই আন্দোলনে উত্তাল হয় সারাদেশ। তাদের এই আত্মত্যাগের ফলেই ১৯৫০ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার জমিদারি ব্যবস্থা বাতিল ও নানকার প্রথা রদ করে কৃষকদের জমির মালিকানার স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়।
এই নানকার প্রজারা ছিলেন মূলত ভূমির মালিকের হুকুমদাস; প্রজাই নয় তাদের স্ত্রী-সন্তানরাও বংশানুক্রমে ভূমি মালিকের দাস হতেন। বৃহত্তর সিলেটের ৩০ লাখ জনসংখ্যার ১০ ভাগ ছিল নানকার। ১৯২২ থেকে ১৯৪৯ সকল শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও অতল ভালোবাসা

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

Theme Customized BY LatestNews