1. fauzursabit135@gmail.com : Fauzur Rahman Sabit : Fauzur Rahman Sabit
  2. sizulislam7@gmail.com : sizul islam : sizul islam
  3. mridha841@gmail.com : Sohel Khan : Sohel Khan
  4. multicare.net@gmail.com : অদেখা বিশ্ব :
শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বোয়ালখালী থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাথে বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠীর সাক্ষাৎ  ত্রিশালে মসজিদ উন্নয়ন প্রকল্পে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: দুদকের অভিযান সমাজকর্মী আব্দুল হান্নানের পিতার মৃত্যুতে সোনাতলা নাগরিক কমিটির শোক আগামী ৯০ দিন অবৈধ বা ক্লোন মোবাইল ফোন বন্ধ হবে না সোনাতলায় রাধাকান্তপুর গ্রামিণ সড়ক বেহালদশায় চলাচলে জনদুর্ভোগ ঢাকায় “প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিক্ষণপদ্ধতি” বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ন্যায়বিচারের আওতায় আনার আহ্বান অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন মহান মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এ কে খন্দকার বীর উত্তম আর নেই চীনের ‘ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল হেলথ প্রোমোশন অ্যাম্বাসেডর’ হলেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নূর

ত্রিশালে মসজিদ উন্নয়ন প্রকল্পে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: দুদকের অভিযান

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় সাবেক সংসদ সদস্য রুহুল আমীন মাদানীর নামে প্রতিষ্ঠিত একটি মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে অভিযান পরিচালিত হয়েছে। পত্রিকায় প্রকাশিত অনুসন্ধানী সংবাদের পাঁচ মাস পর আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে দুদকের ময়মনসিংহ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের চার সদস্যের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে দুদকের কর্মকর্তারা ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা প্রকল্প অনুমোদন, বরাদ্দ প্রদান, বিল উত্তোলন ও বাস্তব কাজের অগ্রগতি সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করেন। দুদক সূত্রে জানা গেছে, দুই অর্থবছরে তিনটি ভিন্ন নামে একই মসজিদের উন্নয়নে বরাদ্দ নেওয়া হলেও বাস্তব কাজের সঙ্গে কাগজপত্রের তথ্যের ব্যাপক গরমিল পাওয়া গেছে। প্রাথমিক যাচাইয়ে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়ায় গুরুতর অসংগতি ধরা পড়েছে। ময়মনসিংহ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের দুদকের সহকারী পরিচালক রাজু মোহাম্মদ সারোয়ার হোসাইন বলেন, “প্রাথমিক তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে কোনো গড়মিল বা অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের জুলাই মাসে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি প্রথম প্রকাশ পায়। ওই প্রতিবেদনে উঠে আসে—২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তিনটি প্রকল্পের আওতায় প্রায় এক কোটি টাকা বরাদ্দ নেওয়া হলেও একটি প্রকল্পের কাজ একেবারেই হয়নি, একটি আংশিক কাজ করে বন্ধ রয়েছে এবং অপর একটি প্রকল্পে কেবল নামফলক স্থাপন করে পুরো কাজ সম্পন্ন দেখানো হয়েছে। দুদকের অভিযানের মধ্য দিয়ে আলোচিত এই অনিয়মের প্রকৃত চিত্র উদঘাটন ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

Theme Customized BY LatestNews