1. fauzursabit135@gmail.com : Fauzur Rahman Sabit : Fauzur Rahman Sabit
  2. sizulislam7@gmail.com : sizul islam : sizul islam
  3. mridha841@gmail.com : Sohel Khan : Sohel Khan
  4. multicare.net@gmail.com : অদেখা বিশ্ব :
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বসন্ত বরণ ১৪৩২ উদযাপন করলো গণসাক্ষরতা অভিযান মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ঢাকায় বিবিসিএফের পরিবেশ, বন ও জীববৈচিত্র্য বিষয়ক ইশতেহার সংলাপ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে এসডিজি-৪ অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ: আগামী সরকারের কাছে প্রত্যাশা শীর্ষক মতবিনিময় সভা নাট্যজন মমতাজউদ্দীন আহমদের ৯২তম জন্মজয়ন্তী পালিত কর্মমুখী শিক্ষা ও গবেষণায় বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের গন্তব্য চীন নবীন প্রবীণের মিলনমেলায় ৪৮ জন গুণী রেডিও এ্যানাউন্সার পেলেন র‍্যাংক সম্মাননা সেলিম আল দীনের মহাপ্রয়াণ দিবসে বগুড়া থিয়েটার পরিবার ঢাকার মানবিক উদ্যোগ মঞ্চ থেকে এবার বেতারের মাইক্রোফোনে সোনাতলার সিজুল ইসলাম বোয়ালখালী থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাথে বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠীর সাক্ষাৎ 

পৃথিবী কেন চ্যাপ্টা?

মজিব রহমান
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ মে, ২০২৪
আমার স্কুল জীবনের একজন শিক্ষক ক্লাসে বলেছিলেন, পৃথিবী গোলাকার এর হাজারটা প্রমাণ থাকলেও এখনো বহু নির্বোধ মনে করে, পৃথিবী চ্যাপ্টা! কিছু করার নেই৷ ওদের বিশ্বাস থেকে বের করা যাবে না৷ তবে ওরা দ্রুতই কমে যাচ্ছে৷ আমাদের কথা বলতে হয় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যই৷
এখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও জানে পৃথিবী গোলাকার। পৃথিবীর ব্যাস প্রায় সাড়ে বারো হাজার কিলোমিটার। অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে যদি একটি ছিদ্র করা হয় তবে তা আমেরিকার কাছাকাছি দিয়ে উঠাতে পারলে সেই পথের দূরত্ব হবে এটা। তাহলে পৃথিবীর পরিধি কতো? এসব হিসাবও প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা করে। তারা জানে ব্যাসকে পাই দিয়ে গুণ করলেই পাওয়া যাবে চল্লিশ হাজার কিলোমিটার।
শিক্ষকতা করার সময় একদিন মাদ্রাসার ছাত্রদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, পৃথিবীর আকার কেমন?
কেউ জবাব না দেয়াতে বললাম, পৃথিবীতো গোলাকার?
এক ছাত্র বলল, স্যার পৃথিবীতো গোলাকার না, চ্যাপ্টা, কমলালেবুর মতো।
জানতে চাইলাম, কমলালেবু কি গোলাকার না চ্যাপ্টা?
ছাত্র বলল, দুই দিক তো চ্যাপ্টা।
আমার ওই ছাত্র তবুও চ্যাপ্টার মধ্যেই থাকতে পছন্দ করছে। বহুবছর মানীষের ধারণা ছিল, পৃথিবী চ্যাপ্টা। বাইবেল বলছে, পৃথিবীর চার কোণায় চারটি খুঁটি গেড়ে আকাশকে ঠেক দিয়ে রাখা হয়েছে যাতে, মানুষের মাথায় ভেঙে না পড়ে। অনেক গ্রন্থে অদৃশ্য খুঁটির কথা বলা হয়েছে৷
একবার বার্ট্রাড রাসেল, পৃথিবীর গোলাকার নিয়ে কথা বলছিলেন। তাঁর বক্তব্য শেষ হলে এক বৃদ্ধা দাঁড়িয়ে বললেন, তুমি যাই বলো বাপু, তোমার কথা বিশ্বাস করি না। পৃথিবী দাঁড়িয়ে আছে একটি কচ্ছপের পীঠে।
রাসেল জব্বর কাউন্টার দিলেন, তাহলে ওই কচ্ছপটা দাঁড়িয়ে আছে কার উপর?
বাউন্ডারি মারলেন ওই বৃদ্ধা, সেটা দাঁড়িয়ে আছে আরেকটা কচ্ছপের পীঠে, সেটা আরেকটা কচ্ছপের পীঠে …….. এর কোন শেষ নেই। রাসেল ওই বৃদ্ধার বিশ্বাস বদলাতে পারেননি তবে কোটি কোটি মানুষের ভাবনায় পরিবর্তন এনেছেন৷
এখনতো মহাকাশ থেকেই দেখা যায় পৃথিবীটা গোলাকার। আরো বহু প্রমাণ পৃথিবী থেকেই দেয়া যায়। এটাও বিজ্ঞানীরা প্রথম বুঝতে পারে, আকাশের গ্রহ নক্ষত্রের চলাচল দেখে। পৃথিবী গোলাকার এবং ঘূর্ণায়মান না হলে হিসাবে মিলে না। এখন রয়েছে আরো অসংখ্য প্রমাণ। গ্রীক দার্শনিকরা সমুদ্রে জাহাজের আগে মাস্তুল দেখেই বুঝেছিলেন, পৃথিবীর পৃষ্ঠ গোলাকার৷ ধর্মগ্রন্থে থাকা ভুল আজো বহু মানুষকে সত্য দেখতে দেয় না৷ তবুও কিছু মানুষ মানতে চান না, পৃথিবীর গোলাকার। পৃথিবী গোলাকার হলে তা ধর্ম বিশ্বাসের সাথে সাংঘর্ষিক হয়ে যায় যে! ভুল হয়ে যায় যে ধর্মগ্রন্থই৷ তাতে বহু মানুষ হারাবে ব্যবসা ও রুজি-রোজগার! তাই ওদের পৃথিবী চ্যাপ্টা হয়েই থাকে৷

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

Theme Customized BY LatestNews