1. fauzursabit135@gmail.com : Fauzur Rahman Sabit : Fauzur Rahman Sabit
  2. sizulislam7@gmail.com : sizul islam : sizul islam
  3. mridha841@gmail.com : Sohel Khan : Sohel Khan
  4. multicare.net@gmail.com : অদেখা বিশ্ব :
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ঢাকায় বিবিসিএফের পরিবেশ, বন ও জীববৈচিত্র্য বিষয়ক ইশতেহার সংলাপ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে এসডিজি-৪ অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ: আগামী সরকারের কাছে প্রত্যাশা শীর্ষক মতবিনিময় সভা নাট্যজন মমতাজউদ্দীন আহমদের ৯২তম জন্মজয়ন্তী পালিত কর্মমুখী শিক্ষা ও গবেষণায় বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের গন্তব্য চীন নবীন প্রবীণের মিলনমেলায় ৪৮ জন গুণী রেডিও এ্যানাউন্সার পেলেন র‍্যাংক সম্মাননা সেলিম আল দীনের মহাপ্রয়াণ দিবসে বগুড়া থিয়েটার পরিবার ঢাকার মানবিক উদ্যোগ মঞ্চ থেকে এবার বেতারের মাইক্রোফোনে সোনাতলার সিজুল ইসলাম বোয়ালখালী থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাথে বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠীর সাক্ষাৎ  ত্রিশালে মসজিদ উন্নয়ন প্রকল্পে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: দুদকের অভিযান

ঝিনাইদহে নাইট্রেট ও নাইট্রাইট বিষক্রিয়ায় গাভীর মৃত্যু

ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০২৪

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার করিমপুর গ্রামে সোমবার বিকালে নাইট্রেট ও নাইট্রাইট বিষক্রিয়ায় ৬ লাখ টাকা মূল্যের তিনটি গাভি গরুর মৃত্যু হয়েছে। গরু তিনটির মৃত্যুতে হতদরিদ্র ওই কৃষক পরিবার পথে বসেছেন। এ ঘটনায় উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডাঃ মনোজিৎ কুমার মন্ডল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

গ্রামবাসি জানায়, কৃষক রুবেল মুন্সির তিনটি গরুই ছিল শেষ সম্বল। সোমবার বিকালে রুবেল গরু তিনটি মাঠে বেঁধে রেখে আসে। মাঠে নতুন গজানো ডাটা শাকের কচি পাতা খেয়ে গরু তিনটি অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং একে একে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। গরু হারিয়ে রুবেলের স্ত্রী শাহনাজ পারভীন পাগল প্রায়। রুবেল মুন্সি জানান, তিনি করিমপুর গ্রামের জনৈক মতিয়ার রহমানের বাড়ি থেকে দেখাশোনা করেন। ওই বাড়িতেই তিনি পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। রুবেল মুন্সীর ভাষ্যমতে, মাঠ থেকে ডাটার শাক খাওয়ানোর ফলে গরু তিনটি মারা গেছেন বলে মনে করেন।

গ্রামবাসি লিটন জানান, রুবেল মুন্সি খবুই দরদ্রি মানুষ। তিল তিল করে গরু তিনটি পালন করছিলেন। একসঙ্গে তিনটি গাভীর মৃত্যুতে তিনি পথে বসেছেন।

বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডা. মনোজিৎ কুমার মন্ডল জানান, মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। গরু তিনটির দাম প্রায় ছয় লাখ টাকা। প্রত্যেকটি গরুর পেটে ৬ থেকে ৯ মাসের বাচ্চা রয়েছে। বৃষ্টির পানি পেয়ে ডাটা শাকের যে কচি পাতা হয়েছে তা খাওয়ানোর ফলে নাইট্রেট ও নাইট্রাইট বিষক্রিয়ায়


গরু মারা গেছে। তিনি আরো জানান, নাইট্রেট ও নাইট্রাইট যুক্ত খাবারে যখন নাইট্রোজেনের পরিমাণ বেশি থাকে তখন তা পশুর শরীরে এক ধরণের বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে। এ বিষক্রিয়াকে নাইট্রেট ও নাইট্রাইট বিষক্রিয়া বলে থাকি। এই বিষক্রিয়া টি সাধারণত নাইট্রেট যুক্ত খাবার খেয়ে বেশি হয়ে থাকে। সাধারণত বৃষ্টির পরে গজানো কচি ঘাসের মধ্যে নাইট্রোজেনের পরিমান বেশি থাকে। তখন বৃষ্টির পানিতে মিশ্রিত এসিডের সাথে কচি ঘাসের নাইট্রোজেন রাসায়নিক ভাবে নাইট্রেট ও নাইট্রাইট বিষক্রিয়া উৎপাদন করে এবং গরু সবুজ কচি ঘাসের সাথে এ বিষ গ্রহণ করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

Theme Customized BY LatestNews