ক্ষমা প্রার্থণা -শামসুন নাহার পরী ও জরী ছোটবেলার বন্ধু। একসাথে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গন্ডি পেরিয়েছে।পরী এখন কলেজে পড়ায় আর জরী বিয়ে করে সংসারী।আজ অনেক দিন পর জরী পরীর কলেজের
জীবনের গল্প পর্ব- ৩৩ দূর হতে যেন বাঁশি বাজছে। যেন আবহমান কাল ধরে সৃষ্টির মর্ম লোকে একটা স্পন্দন ক্রমশ স্ফীতকায় হয়ে চলেছে। এ যেন তারই এক প্রান্ত ভাগ। প্রসারিত হচ্ছে
জীবনের গল্প পর্ব- ৩২ আষাঢ়ের আকাশ। আকাশে একফালি চাঁদ। ভেসে চলেছি নদী পথে। জাহাজের ছাদে বসে বাতাসে এলো চুল, যেন বকরাজ যুবক। আধ ফালি চাঁদের সাথে আমার মিতালী সেই ছোটবেলা
জীবনের গল্প পর্ব-৩১ সময় যখন কাটে না কয়েক সেকেন্ড ও এত দীর্ঘ হয়ে যায়! মাত্র সাড়ে সাতশো স্কোয়ার ফিটের ফ্ল্যাটটাকেও মনে হয় জনহীন প্রান্তর। কিছুক্ষণ ঝুম মেরে বসে রইলাম বিছানায়।
জীবনের গল্প পর্ব-২৯ নিস্তরঙ্গ পুকুরে এক কুচি ঢিল পড়লেও তরঙ্গ ওঠে বৈকী। তবে সেই তরঙ্গের স্থায়িত্ব আর কতটুকু? দশ সেকেন্ড, বিশ সেকেন্ড বড় জোর এক মিনিট! এ তরঙ্গ বড় মৃদু,
জীবনের গল্প পর্ব – ২৮ সন্ধ্যে গড়িয়ে রাত এল, রাত ক্রমে নিশুত। শব্দ কমে এল, তন্দ্রা নামছে জাদুর শহর ঢকায়, বেরিয়ে পড়লো নৈশপ্রহরী, হুইসিল বাজিয়ে টহল দিচ্ছে থেকে থেকে, রাত্রির
জীবনের গল্প পর্ব – ২৭ চোখ মেলে রাস্তার মানুষ দেখছি। কত মানুষের আনাগোনা। কত রকমের মানুষ। শোকার্ত।বিমর্ষ।খুশি। আত্মমগ্ন। তিন ছোকরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে নিজেদের মধ্যে কথা বলছে। ঘাড় নিচু করে দ্রুত
জীবনের গল্প পর্ব- ২৫ ঘর জুড়ে অদ্ভুত এক নৈঃশব্দ্য। ছেঁড়া ছেঁড়া ভাবনা নিয়ে বিছানা ছাড়লাম। কখন থেকে বেজেই যাচ্ছে মোবাইল টা। আবার বন্ধ হয়ে গেল। বারান্দায় দাঁড়িয়ে শহরটকে দেখছি। আহা
জীবনের গল্প পর্ব – ২৩ বাইরে এখনও বিকেল। রোদ মরে গেছে,তবে তার সোনালী আভা পুরোপুরি মিলোয়নি। আমার বাসার অন্দরে অবশ্য তা টের পাওয়ার উপায় নেই, ঘরে ঘরে দ্রুত দখল করে
জীবনের গল্প পর্ব – ২২ বিকেল টা মরে আসছে ক্রমশ। বাসা ছেড়ে বেরিয়েছি সে অনেকক্ষণ আগে। এলোমেলো হাঁটতে হাঁটতে কত কত আজব ভাবনা মগজ জুড়ে ঘুরছে। ভাবনাকে বেশী গড়াতে দিলেই